প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ লেবাননে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর একটি বিশাল ভূগর্ভস্থ সামরিক কমপ্লেক্স ও দুটি বড় টানেল ইসরাইলি সামরিক বাহিনী হাজার টনেরও বেশি বিস্ফোরক ব্যবহার করে উড়িয়ে দিয়েছে।
আল-তাহের পর্বতশ্রেণীর নিচে প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ এই টানেল ধ্বংস করার সময় যে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে, তার তীব্রতায় এলাকাটি ভূকম্পনের মতো কেঁপে ওঠে।
মার্কিন ভূগোলোক জরিপ সংস্থা জানায়, এই বিস্ফোরণের ফলে ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্পের সমপরিমাণ তীব্রতা অনুভূত হয়েছিল, যার কম্পন প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরের উপকূলীয় শহর সাইদাতেও অনুভূত হয়।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, এই টানেলটি দীর্ঘ দুই দশক ধরে ইরানের অর্থায়ন ও পরিকল্পনায় তৈরি করা হয়েছিল। এখানে হিজবুল্লাহর বদর ইউনিটের একটি প্রধান কমান্ড সেন্টার ছিল, যেখানে বিপুল পরিমাণ রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং ট্যাঙ্কবিধ্বংসী অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
ইসরাইল দাবি করেছে, কমপ্লেক্সটি পুরোপুরি ধ্বংস করার মাধ্যমে সীমান্তবর্তী একটি নিরাপত্তাবেষ্টনী গড়ে তোলার কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং এর ভেতরে থাকা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা নিহত হয়েছে বা পালিয়ে গেছে। তবে এ বিষয়ে হিজবুল্লাহ বা লেবানন সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, বিগত মার্চ মাসে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর হিজবুল্লাহ ইসরাইলে রকেট হামলা চালালে নতুন করে লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে বড় ধরনের সংঘাত শুরু হয়। এতে লেবাননে এ পর্যন্ত চার হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং ইসরাইলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের বিশাল অংশ দখল করে নেয়। যদিও গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতির পর সংঘাত কিছুটা কমেছে, তবুও সীমান্ত এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর এমন বড় ধরনের ধ্বংসাত্মক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: বিবিসি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন