প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সময় জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সংকটের অভিজ্ঞতার পর, জ্বালানি নিরাপত্তা প্রতিস্থাপনের জন্য ১৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুতাগার (স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ) গড়ে তোলার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত তেল এবং গ্যাস কোম্পানি।
বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক এবং তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানিতে দ্বিতীয় বিরাট দেশ হল ভারত। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের সংঘাতের সময়, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের ফলে দেশটি জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্নের সম্মুখীন হয়।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
রাষ্ট্রায়ত্ত ‘অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস করপোরেশন (ওএনজিসি)’ বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে জমা দেওয়া এক নথিতে জানিয়েছে যে, তাদের পরিচালনা পর্ষদ ‘জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প’ হিসেবে দক্ষিণ ভারতের ‘ম্যাঙ্গালোর’ অঞ্চলে ১৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন (১.৭৫ এমএমটি) ধারণক্ষমতার কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুতাগার গড়ে তোলার জন্য নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।
গত সপ্তাহে ভারত সরকারের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এএফপিকে বলেন, দেশের অভ্যন্তরে তেল এবং গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে সরকার জোরালো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি এসময় বলেন, ‘তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আমরা বড় পরিসরে বিনিয়োগ করছি। এ জন্য ১০ বিলিয়ন ডলারের একটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত অপরিশোধিত তেলের সরবরাহকারী দেশের সংখ্যা ২৭ হতে বাড়িয়ে ৪১-এ উন্নীত করেছে। নতুন সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরান, ভেনেজুয়েলা, রাশিয়া থেকে বাড়তি আমদানি এবং আফ্রিকার কয়েকটি দেশ।
রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ভারত পূর্বে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের সমালোচনার মুখে পড়েছিল। সমালোচকদের অভিযোগ, এভাবে তেল কিনে ভারত ইউক্রেনের বিরুদ্ধে মস্কোর যুদ্ধ পরিচালনায় পরোক্ষভাবে অর্থায়ন করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন