প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এককালীন অনুদানের মাধ্যমে দরিদ্র চরাঞ্চলীয় পরিবারগুলোর জীবনযাত্রায় টেকসই পরিবর্তন এবং দুর্যোগ মোকাবেলার সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে শুরু হয়েছে ‘চয়েস, হোপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (চর) বাংলাদেশ’ প্রকল্প। আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘গিভডিরেক্টলি’-এর সহযোগিতায় এবং স্থানীয় সংস্থা ‘গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে)’-এর বাস্তবায়নে এই প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে।
রবিবার (৮ নভেম্বর) সকালে জিইউকে রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত এক ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এ প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান এম. আবদুস্ সালাম।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি, ফজলুপুর, এরেন্ডাবাড়ি এবং সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের মোট ৮ হাজার ৫০০ দরিদ্র পরিবারকে এই সহায়তার আওতাভুক্ত করা হয়েছে। নির্বাচিত পরিবারগুলোকে দুই কিস্তিতে সর্বমোট ৬০ হাজার টাকা করে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তিতে চলতি নভেম্বর মাসেই ৯ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় কিস্তিতে আগামী ডিসেম্বর মাসে বাকি ৫১ হাজার টাকা সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক এম. আবদুস্ সালাম জানান, অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শর্ত বা বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। সুবিধাভোগী পরিবারগুলো নিজেদের প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার বিবেচনা করে ঘর মেরামত, গবাদিপশু ক্রয়, ব্যবসা বিস্তার, শিক্ষা কিংবা সঞ্চয়ের কাজে এই অর্থ ব্যয় করতে পারবে। এর ফলে প্রক্রিয়ায় জটিলতা কমবে এবং চরাঞ্চলের অবহেলিত মানুষ সহজে আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির সুযোগ পাবে।
‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জিইউকে-এর পরিচালক আবু সায়েম মো. জান্নাতুন নূর রিশাত, গিভডিরেক্টলি’র অ্যাসোসিয়েট ফিল্ড ম্যানেজার মো. রাশেদুল ইসলাম এবং প্রকল্প সমন্বয়কারী জয়া প্রসাদ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন