প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার এর মধ্যে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে, ‘তার পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই উঠছে না।’
সরকারের একটি শীর্ষ সূত্র দেশটির গণমাধ্যম এনডিটিভিকে জানিয়েছে যে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সরকারের বিবেচনায় নেই। সূত্রটি বলছে, ‘পদত্যাগই সবচেয়ে সহজ সিদ্ধান্ত হতে পারে, কিন্তু সরকার সেই পথে হাঁটতে চায় না।’
সূত্রটি আরও জানাচ্ছে, জনগণ সরকারকে যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, তা বাস্তবায়নের জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এছাড়াও, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (এনটিএ) সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে কার্যক্রম চলছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত একাধিক চক্রের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং এর পাশাপাশি আরও অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি চলছে।
এর আগে শুক্রবার কেন্দ্রের সাথে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে অংশ নিয়ে সিজেপি ধর্মেদ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে। বৈঠক শেষে দলটির নেতা আশুতোষ রাঙ্কা জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে কেন্দ্র শনিবার দুপুর পর্যন্ত সময় চেয়েছে।
তিনি বলছেন, সরকার নীতিগতভাবে দুটো দাবিতে সম্মত হচ্ছে—নিট-সংক্রান্ত ঘটনায় আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর ও আইনি মামলা প্রত্যাহার।
বৈঠকে সরকারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। অপর দিকে সিজেপির প্রতিনিধিত্ব করেন দলের জাতীয় মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা।
বৈঠকের আগে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ বলেছেন, ‘সরকার যদি আন্দোলনের সমাধান চায়, তাহলে একমাত্র পথ হলো ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।’
এদিকে, সরকারের অটল অবস্থানের কারণে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে সোমবারের সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী আলোচনা নিয়ে নজর রাখা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন