প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মালয়েশিয়া জুড়ে একটি বড় ধরনের সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৮টি ভিন্ন স্থানে একযোগে পরিচালিত এই অভিযানে অন্তত ৫০৩ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। আটকদের মধ্যে ২৯০ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) এক বিবৃতিতে এ সংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিত করেন মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান। খবরটি প্রকাশিত হয়েছে দ্য স্টারের মাধ্যমে।
তিনি উল্লেখ করেন, যৌথ এই অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগ, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ, পুলিশ এবং স্থানীয় সরকারের প্রায় ৮৭৬ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। অভিযান চলাকালীন নিয়োগকর্তা ও বিদেশি নাগরিকসহ মোট ২ হাজার ২৬০ জনের কাগজপত্র পরীক্ষা করে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের কারণে ৫০৩ জনকে আটক করা হয়।
আটক হওয়া ২৯০ জন বাংলাদেশির পাশাপাশি রয়েছেন মিয়ানমারের ১০১ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৬৬ জন, নেপালের ৩৮ জন, ভারতের ৩৬ জন এবং অন্যান্য দেশের ১০ জন নাগরিক। আটকদের মধ্যে ২১ থেকে ৫২ বছর বয়সি ৯৫ জন নারীও রয়েছেন, যাদের সবাইকে পরবর্তীতে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বিভিন্ন ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া, সংশ্লিষ্ট তদন্তে সাক্ষী হিসেবে সহায়তার জন্য আরও ১২০ জন ব্যক্তিকে বিশেষ নোটিশ (বোরং ২৯) দেওয়া হয়েছে বলেও অভিবাসন বিভাগ নিশ্চিত করেছে। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশিদের মাধ্যমে পরিচালিত ব্যবসাগুলোকে টার্গেট করা।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, আটকদের বিরুদ্ধে মূলত বৈধ কাগজপত্র না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করার এবং ভিসার শর্ত অপব্যবহারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, অনেকের কাছে নির্মাণ খাতের ভিসা থাকলেও তারা কাপড়ের দোকানে কাজ করছেন। পাশাপাশি কিছু কার্ডধারীর কার্ডের সত্যতা যাচাইয়ের জন্যও তাদের আটক করা হয়েছে। মহাপরিচালক আরো জানিয়েছেন, পুরো মালয়েশিয়াজুড়ে দুই শতাধিক 'হটস্পট' চিহ্নিত করা হয়েছে, যার অর্ধেকই দেশটির ক্লাং ভ্যালি এলাকায় অবস্থিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন