প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দুর্গাপূজার শপিংয়ের তালিকায় ঢাকাই জামদানি শাড়ি থাকা আবশ্যক। বেনারসির সঙ্গে আভিজাত্যে পাল্লা দেয় ঢাকাই জামদানি। পূজা ছাড়াও, যে কোনো উৎসবে ঢাকাই জামদানি শাড়ি নজর কাড়ে। প্যাস্টেল শেড কিংবা গাঢ় রঙ— মানানসই ব্লাউজের সঙ্গে পরলে আর কিছু প্রয়োজন হয় না। সোনা বা অক্সিডাইজড গহনা পরলে সাজ সম্পূর্ণ হয়ে যায়। ঢাকাই জামদানি স্টাইল করার জন্য খুব বেশি চিন্তা করতে হয় না। তবে আপনি যে জামদানি পরছেন, সেটি আসল কি না, সেটি নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এ নিয়ে চিন্তা করার কোনো প্রয়োজন নেই।
বাজারে বিভিন্ন ধরনের ঢাকাই জামদানি পাওয়া যায়। কিছু জামদানি খুব নরম, আবার কিছু শাড়িতে রয়েছে আয়না ও স্টোনের কারুকাজ। তবে, আপনি যে জামদানি কিনছেন, সেটি আসল হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু আসল এবং নকলের মধ্যে পার্থক্য কীভাবে বুঝবেন? আসুন, জেনে নেওয়া যাক— আসল জামদানি এবং নকল জামদানি চেনার উপায়।
শাড়ি কেনার সময় অনেকের কাছে আসল-নকল যাচাই করার সুযোগ থাকে না। তখন রঙের কাজ নিয়েই চিন্তা করতে হয়। তবে মাত্র ১ সেকেন্ডে বুঝে নেওয়া সম্ভব যে ঢাকাই জামদানি আসল না নকল। সাধারণত, ঢাকাই জামদানির বুনন মিহি সুতা দিয়ে তৈরি হয়। এ শাড়ির বুনন খুব সূক্ষ্ম।
যখনই জামদানি কিনবেন, শাড়িটি উল্টে দেখুন। যদি দেখেন জামদানি শাড়ির উল্টো দিকে সুতা কাটা রয়েছে, তাহলে বুঝবেন এটি মেশিনে বোনা। ছাঁটা সুতা দেখলেই বুঝবেন, এই শাড়ি হাতে বোনা নয়। এ ধরনের শাড়ির দামও খুব কম হয়ে থাকে।
আসল জামদানি দুদিকে সমান হয়। তাঁতিরা এক একটি সুতা হাতে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বুনে থাকেন। তাই কোনো ছাঁটা সুতা থাকে না। আসল ঢাকাই জামদানি হাতে নিলে কোন দিকটা সামনে এবং কোনটা পেছনে, তা দ্রুত বুঝতে পারবেন। তখনই নিশ্চিত হবেন এটি আসল জামদানি।
অন্যদিকে, আসল ঢাকাই জামদানির নকশা অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিখুঁত হয়। ঢাকাই জামদানি খুবই মসৃণ। এতে কোনো খসখসে ভাব থাকে না। কিন্তু মেশিনে বোনা জামদানি তুলনায় ভারি এবং খসখসে হয়। কারণ, এ শাড়ি বুনতে নাইলনের সুতা ব্যবহার করা হয়। সুতরাং, এবারের পূজায় ঢাকাই জামদানি কিনতে গেলে শাড়িটি উল্টে দেখে নিন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন