প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কারাবন্দি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই), খাইবার পাখতুনখোয়ায় (কেপি) জারি করা জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছে। পিটিআইয়ের শীর্ষ নেতারা এই পদক্ষেপকে গণতন্ত্র এবং প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে তীব্র নিন্দা করেছেন। তারা সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি সহ আটক দলের নেতাদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছেন।
পেশোয়ার হাইকোর্টে একটি সংশোধিত রিট আবেদন দাখিল করার পর আদালত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নোটিশ পাঠিয়েছে এবং মামলার পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ১০ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে, আদালতের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গোহর আলী খান, সাধারণ সম্পাদক সালমান আকরাম রাজা এবং পশতুনখোয়া মিলি আওয়ামী পার্টির প্রধান মাহমুদ খান আচাকজাই এই রাজনৈতিক সংকটের আইনি ও রাজনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন।
পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গোহর আলী খান কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, "পিটিআইয়ের বৈধ জনরায় কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং দলীয় কর্মীদের ওপর নানাভাবে দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে।" তবে সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে দল আপসহীন অবস্থানে রয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে সমঝোতার কোনো আন্তরিক সদিচ্ছা দেখা যায়নি।
পিটিআইয়ের সাধারণ সম্পাদক সালমান আকরাম রাজা বলেন, "সংবিধান অনুযায়ী জরুরি অবস্থা জারির ক্ষেত্রে প্রাদেশিক বিধানসভার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের প্রয়োজন হয়।" তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার আইন ও সংবিধানের তোয়াক্কা না করে সরাসরি গভর্নর শাসন জারি করেছে, যা প্রদেশের স্বায়ত্তশাসনের ওপর চরম লঙ্ঘন।
সংকট নিরসনে আদালতই উপযুক্ত মাধ্যম বলে মন্তব্য করেছেন পশতুনখোয়া মিলি আওয়ামী পার্টির প্রধান মাহমুদ খান আচাকজাই। তিনি সতর্ক করে বলেন, "রাজনৈতিক বিরোধ যদি আদালতের মাধ্যমে সমাধান করা না হয়, তবে তা রাজপথে ছড়িয়ে পড়তে পারে।" এ সময় তিনি জনগণের প্রতি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, "এই লড়াইয়ের চূড়ান্ত ও কঠিন পর্যায় শুরু হয়েছে।" সূত্র: আউটলুক ইন্ডিয়া।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন