প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রমজান আসন্ন হওয়ায় দেশে ছোলার আমদানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ছোলা এসেছে ১৭ হাজার ১৭৭ টন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৫ হাজার ৮০০ টন বেশি। যদিও আমদানি যথেষ্ট, তবুও পাইকারি ও খুচরা বাজারে ছোলার দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই-আগস্টে দেশে ছোলা আমদানি হয়েছিল এক হাজার ৩৮১ টন। এছাড়া, বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে প্রায় আড়াই লাখ টন ছোলা এসেছে। দেশে সাধারণ সময়ে মাসে ছোলার চাহিদা ১০ থেকে ১২ হাজার টন থাকে, কিন্তু রমজানে তা বেড়ে ৮০ হাজার থেকে এক লাখ টনে পৌঁছে যায়।
এমন আমদানির পরিস্থিতির মধ্যেও চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে গত এক থেকে দুই মাসে ছোলার দাম কেজিতে ১৩ থেকে ২১ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। বর্তমানে প্রতি মণ ছোলা বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার ৭০০ থেকে তিন হাজার ৭৫০ টাকায়, এবং কেজিপ্রতি দাম পড়ছে ৯৯ থেকে ১০১ টাকা। পূর্বে এ দাম ছিল ৮০ থেকে ৮৬ টাকা। খুচরা বাজারে ছোলা আগে ৮২ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং দর এবং পরিবহন খরচের বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেছেন। চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ায় উৎপাদন কমার পূর্বাভাসে আন্তর্জাতিক বাজারে ছোলার বুকিং দর প্রতি টনে ৮৫০ ডলারে পৌঁছেছে। দেশের জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন খরচও বেড়ে গেছে।
এ বিষয়ে কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন মন্তব্য করেছেন, "অসাধু বাণিজ্য ঠেকাতে রমজানের অপেক্ষা না করে এখন থেকেই আমদানি, মজুদ ও সরবরাহব্যবস্থায় নজরদারি বাড়াতে হবে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন