প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার,
পুরাতন সংসদ ভবন, তেজগাঁও, ঢাকা-১০০০।
বিষয়: মুক্তিযোদ্ধার গেজেটে অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন।
জনাব,
যথাবিহীত সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী মোঃ নাছির মাহমুদ, পিতাঃ- মরহুম ফারুক আহমদ, মাতা ঃ- মরহুমা ফাতেমা বেগম, গ্রামঃ- পদুয়া (আলী সিকদার পাড়া), ওয়ার্ড নং ৪- ০৬, ডাকঘর:-পদুয়া (৪৩৯৭), থানা/উপজেলা:- লোহাগাড়া, জেলাঃ- চট্টগ্রাম, এই মর্মে আমরা বিনীতভাবে আবেদন করিতেছি যে, চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত লোহাগাড়া থানার অধীনস্থ পদুয়া আলী সিকদার পাড়া গ্রামের ১৯৭১ ইং সালের মহান ০১ নং সেক্টর স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী আমরা মুক্তিযুদ্ধার সু-সন্তান হই। আমাদের পিতা তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধের সময়ে স্থানীয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধাদের সাথে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে পদুয়া হানিফার চর, বরতলী হয়ে মুক্তিযুদ্ধের বান্দরবান, সাতকানিয়া, দোহাজারী ও পটিয়া এলাকায় সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তাই আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আপনার নিকট বিনীতভাবে অনুরোধ করিতেছি যে, আমাদের পিতাকে মুক্তিযোদ্ধার গেজেটে অন্তর্ভুক্তির জন্য
(বিএমপি) আমরা বিগত ১৫/০৯/২০২১ইং তারিখে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে আবেদন করিয়াছি (যার সিরিয়াল নং- ৩৫৯৭)। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আমরা এখনো পর্যন্ত সরকারি কোন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পাচ্ছি না। গত ১৭/০১/২০২৬ইং আপনার স্বনামধন্য পত্রিকা "দৈনিক দিনকাল এ আপনার নির্দেশে আমাদের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ফারুক আহমদ এর নিউজ প্রকাশিত হয়। এছাড়া আরও ১০/১২টি স্বনামধন্য পত্রিকায়ও
কারাগার থেকে মুক্তি লাভের পর আমাদের পিতা বাড়িতে আসিলে আমি একদিন টয়লেটে বেশিক্ষণ সময়ধরে থাকিলে, আমাদের পিতা আমার জন্য উঠানে অপেক্ষা করতে থাকে। আমি টয়লেট থেকে বাহির হওয়ার পর আমাকে আমাদের পিতা বলল, ঐদিন তোমার দাদি কি খাইছিল এইজন্য তোমার পেঠের অসুখ যাচ্ছে না। এরপর ২০/০৪/২০০২ সালে মন্ত্রী নোমান সাহেব আমাদের পিতাকে আনসার কমান্ডার'এর চাকুরী পাওয়ার জন্য সুপারিশ করেন। অত্র চাকুরীতে যোগদান করতে গেলে আনসার জেলা এ্যাডজুট্যাষ্ঠ মহোদয় সার্টিফিকেট দেখাতে বলেন। তখন আমাদের পিতা সার্টিফিকেট বাড়িতে থাকার কারণে বাড়িতে চলে আসে। বাড়িতে এসে আমাদের পিতা দেখে সার্টিফিকেট সবগুলো আছে আতাউল গনি ওসমানী মহোদয়ের দেওয়া সার্টিফিকেটটি নাই। পরে অনেক খুজাখুজির পর ২০২০ সালে ঐ সার্টিফিকেটটি আমাদের ভাঙ্গা বাড়ির ২য় তলায় মাটির নিচে পাওয়া যায়। সেই কারণে সনদটি একটু নষ্ট হয়ে যায়। এরপর ২০০৬ সালে আমাদের পিতা আদালতে মামলার হাজিরা না দেওয়ায় আবারও গ্রেফতার হন। এইসব কথা আমাকে আমাদের এলাকার আমাদের পিতার বন্ধু ও সহকর্মী মরহুম মোঃ শাহজাহান বলেন। সেই থেকে আমি আমাদের পিতার ও পরিবারের ইতিহাস সম্পর্কে অবগত হয়েছি। ০৬/০৫/২০০৮ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমাদের পিতা পরলোকগমন করিয়াছেন। আমাদের পিতার মৃত্যুর সময় আমরা অত্যন্ত ছোট ছিলাম বিদায় পিতার বিস্তারিত বিষয়ে অবগত ছিলাম না। সেই বিষয়ে কাহারো নিকট হইতে জানা-শোনার জ্ঞান তেমন ছিল না উক্ত বিষয় নিয়ে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে কোন ধরনের স্বীকৃতি পাই নাই বিধায় আপনার বরাবর এই আবেদন পেশ করিতে বাধ্য হলাম।
অতএব, মহোদয় উপরোক্ত বিষয়টি সদয় বিবেচনা করতঃ সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক আমাদের পিতাকে মুক্তিযোদ্ধার গেজেট তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করার ব্যবস্থা করিতে মহোদয়ের বিহীত আদেশ হউক।
তারিখ: ১২/০৪/২৬ নিবেদক-
মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের পক্ষে
(মোঃ নাছির মাহমুদ) মোঃ ০১৮১৬-০৩০০০৪, ০১৮৪৩-৩৫৬৯৯৪
সংযুক্তি :-
ক) মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আতাউল গণি ওসমানীর দেওয়া স্বাক্ষরিত সনদ।
(যাহার ক্রমিক নং- ১৩৩৫২৫)
খ) লোহাগাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডারের দেওয়া প্রত্যয়ন পত্রের ফটোকপি।
গ) তিনজন সন্তযোদ্ধার প্রত্যয়ন পত্র।
ঘ) স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের দেওয়া প্রত্যয়ন পত্রের ফটোকপি।
ঙ) আনসার ট্রেইনিং সার্টিফিকেটের ফটোকপি। চ) সেনাবাহিনী প্রশিক্ষণ সনদের ফটোকপি।ছ) ইউনিফর্ম বিশিষ্ট ছবি। জ) ১০/১২টি স্বনামধন্য পত্রিকার ফটোকপি। ঝ) ১৯৭৯ সালে উপ-প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের দেওয়া নয়াখাল খনন ও প্রশিক্ষণ সার্টিফিকেটের ফটোকপি।ঞ) ১৯৭৬ সালে আনসার ব্যাটালিয়ান অস্ত্র চালানো প্রতিযোগীতায় ১ম হওয়ার সার্টিফিকেট।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন