প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কক্সবাজারের টেকনাফে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিদর্শনের সময় দুটি বিদ্যালয়ে তালা ঝুলতে দেখে হতবাক হন।
এ ঘটনায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা ভারপ্রাপ্ত অফিসার আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ ১১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ জারি করেছেন। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি। বিদ্যালয় দুটি হলো টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হরিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং লাতুরি খোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হলেন আলী আকবর সাজ্জাদ ও নাসিমা আক্তার।
অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা নিয়মের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমত স্কুলে আসা-যাওয়া করেন এবং দুপুরের পর কিছু কিছু স্কুলে ক্লাস না করিয়ে ছুটি দিয়ে দেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হরিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও লাতুরি খোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শন করে ইউএনও সত্যতা পান এবং দুই স্কুলে তালা ঝুলতে দেখে বিস্মিত হন। ইউএনও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং সশরীরে ইউএনও অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন।
কারণ দর্শানোর নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুর ২:৩০ টায় ইউএনও সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, কর্মচারী এবং কোনো শিক্ষার্থীর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি এবং সব শ্রেণিকক্ষ তালাবদ্ধ ছিল।
এটি সরকারি বিধি ভঙ্গের শামিল। কর্তব্যে অবহেলার কারণে কেন আপনার এবং আপনার অধীনস্থ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না, তার কারণ আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও এস.এম অনীক চৌধুরী বলেন, ‘দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শোকজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি তারা যুক্তিযুক্তভাবে জবাব না দিতে পারেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
টেকনাফ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ বলেন, ‘অনেক সময় শিক্ষকরা নিয়ম না মেনে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করেন এবং দুপুরের পর ছুটি দিয়ে চলে যান-এমন অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে ইউএনও সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।
১১ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আশা করি, এখন থেকে সবাই নিয়ম মেনে চলবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন