প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
১৯৬৫ সাল ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর। ইংল্যান্ডের কেমব্রিজের একটি ছোট গ্রিক রেস্তোরাঁ ‘দ্য ভার্সিটি’তে সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে রাজীব গান্ধীর প্রথম দেখা হয়েছিল। তাদের এই রূপকথার মতো ভালোবাসার গল্পের শুরু এখান থেকেই। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের প্রথম পোস্ট ও ভিডিও শেয়ার করে সোনিয়া সেই স্মৃতি সবার সামনে তুলে ধরেছেন।
আসন্ন আত্মজীবনীমূলক বই ‘বিলংগিং: আ জার্নি অব লাভ’ প্রকাশের পূর্বে তিনি এই স্মৃতিকথা শেয়ার করেছেন। আগামী ১০ নভেম্বর বইটি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, যা বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা ‘আলফ্রেড এ নোফ’ এবং ভারতের ‘হার্পারকলিন্স’ দ্বারা প্রকাশিত হবে। ৫৪৪ পৃষ্ঠার বইটিতে সোনিয়ার শৈশব, রাজীব গান্ধীর সঙ্গে প্রেম, ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন ঘটনা এবং পরবর্তীতে ভারতের রাজনীতিতে তার জড়িয়ে পড়ার কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।
রাজীব গান্ধীর সঙ্গে প্রথম দেখার স্মৃতি মনে করে সোনিয়া জানান, তখন ইংল্যান্ডে ভালো খাবার পাওয়া বেশ কঠিন ছিল। তিনি এক গ্রিক রেস্তোরাঁর সন্ধান পান, যেখানে ভারতীয় ও ইতালীয় শিক্ষার্থীরা প্রায়ই আসতেন। সেখানেই এক সাধারণ বন্ধুর মাধ্যমে রাজীবের সঙ্গে তার পরিচয় ঘটে।
রাজীবকে প্রথম দেখার অনুভূতি বর্ণনা করতে গিয়ে সোনিয়া বলেন, রাজীবকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে তার মনে হয়েছিল যে, এই মানুষটি বিশেষ এবং তার সঙ্গেই জীবন কাটানো উচিত। পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন, রাজীবেরও একই অনুভূতি ছিল। পরিচয়ের পর তারা বন্ধু হয়ে যান এবং একসঙ্গে বিভিন্ন পার্টিতে যাতায়াত শুরু করেন।
রাজীবের ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করে সোনিয়া আরও জানান, রাজীব যেমন দারুণ সুদর্শন ছিলেন, তেমনি তার স্বভাবের মধ্যে ছিল এক অদ্ভুত নম্রতা। তার সেই শান্ত ও ভদ্র আচরণ সোনিয়ার মনকে আকৃষ্ট করেছিল, যা তিনি আজও ভুলতে পারেননি।
এছাড়া, এই স্মৃতির কথা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’ (টুইটার)-এ সোনিয়া তার অভিষেক ঘটিয়েছেন। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার তিনি ইনস্টাগ্রামেও যোগ দেন। ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি বইটির প্রথম কপি হাতে নিয়ে মেয়ে ও কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে আনন্দে একে অপরকে জড়িয়ে ধরছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন