প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গোটা মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জ্বলছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের হামলা-পাল্টা হামলায়। সংঘাত নতুন করে বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতির ফলে বিশ্ব বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। গত দুই মাসের মধ্যে এই প্রথমবার তেলের দাম এত উচ্চতায় পৌঁছাল। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে নতুন করে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পূর্ববর্তী বুধবার, তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫ ডলারে গিয়ে ঠেকেছিল। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের একের পর এক হামলার কারণে লোহিত সাগর দিয়ে সৌদি আরবের তেল রফতানি বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চরম উত্তেজনা চলছে।
বৃহস্পতিবার, ইরান সমর্থিত সশস্ত্র হুথি গোষ্ঠী জানায়, তারা সৌদি আরবের দুটি তেলের ট্যাংকার ‘এনসেলিয়া’ ও ‘লায়লা’র ওপর হামলা চালিয়েছে। গোষ্ঠীটির দাবি, তাদের ঘোষিত লোহিত সাগরের নৌ-অবরোধ অমান্য করায় তারা এই হামলা করেছে।
হুথিরা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে জাহাজ দুটিতে হামলা চালিয়েছে। হামলায় একটি ট্যাংকারে আগুন ধরে যায়।
গত মার্চ মাসে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে বিমান হামলা চালানোর পর আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। তখন হরমুজ প্রণালী দিয়ে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের জীবাশ্ম জ্বালানি রফতানি প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
সংঘাতের চূড়ান্ত পর্যায়ে এপ্রিলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি সর্বোচ ট ১২৬ ডলারে পৌঁছেছিল। তবে, মে মাসের শেষ দিকে দাম ১০০ ডলারের নিচে নেমে আসে। পরে ওই অঞ্চলে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা দেখা দিলে জুলাইয়ের শুরুতে তেলের দাম কমে ৭১ ডলারে পৌঁছেছিল।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সমঝোতা স্মারক ভেঙে যাওয়ার পর এবং পারস্য উপসাগরে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও দ্রুত বৃদ্ধির পথে প্রবাহিত হতে শুরু করেছে। অর্থনীতিবিদরা শুরু হওয়া পরিস্থিতিতে বিশ্ব অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ নতুন করে বাড়ার আশঙ্কা করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন