প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদের বিরুদ্ধে ট্রেন থেকে উদ্ধার করা মাদক গোপনে বিক্রির অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক থামছে না। অভিযোগটি প্রকাশ্যে আসার পরও তিনি একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা রেলওয়ে পুলিশ সুপার নিকুলিন চাকমা বলেন, “এই বিষয়ে এখনো তদন্ত চলমান। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে, স্থানীয় সমাজসেবক নুরুল কাদের সোহেল অভিযোগের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “রেলওয়ে ওসির বিরুদ্ধে মাদক বিক্রির অভিযোগে একাধিক সংবাদ প্রকাশের পরও তিনি অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে এখনো একই থানায় বহাল রয়েছেন বলে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আমরা চাই, একজন বিতর্কিত ওসি হিসেবে তদন্তের স্বার্থে তাকে প্রত্যাহার বা বদলি করা হোক। তদন্ত শেষে যদি তিনি অপরাধী প্রমাণিত হন, তাহলে আইন অনুযায়ী তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।”
স্থানীয় সচেতন মহলেরও দাবি, অভিযোগের বিষয়ে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক। একই সঙ্গে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখার বিষয়টিও বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, এর আগে ভৈরব রেলওয়ে থানার ওসি আবু সাঈদের বিরুদ্ধে ট্রেন থেকে উদ্ধার করা গাঁজার একটি অংশ থানার নথিভুক্ত না করে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে এটিকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন” বলে দাবি করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন