প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আজ ৩০ অক্টোবর। ফুটবল নক্ষত্র ডিয়েগো ম্যারাডোনার জন্মদিন। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি যদি বেঁচে থাকতেন, তবে আজ তিনি ৬৬ বছরে পা দিতেন।
২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও, ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে ম্যারাডোনার স্থান আজও অমলিন রয়েছে। বিশ্বকাপ জয়, অবিশ্বাস্য সব গোল এবং বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’—তাকে ঘিরে গল্পের শেষ নেই। তার ফুটবলজীবনের শুরুটিও ছিল সিনেমার মতো।
১৯৬০ সালের এই দিনে বুয়েনস এইরেসের দরিদ্র এলাকা ভিয়া ফিওরিতোয় ম্যারাডোনার জন্ম হয়। সাত ভাইবোনের সংসারে বেড়ে ওঠা এই ছেলেটির পায়ের জাদু ছোটবেলাতেই ধরা পড়ে। মাত্র ১০ বছর বয়সে তিনি আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের যুব দল লস সেবোলিতাসে যোগ দেন। এখান থেকেই শুরু হয় ‘প্রতিভার বিস্ফোরণ’।
১৯৭৬ সালের ২০ অক্টোবর, মাত্র ১৫ বছর ১১ মাস বয়সে আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের হয়ে পেশাদার ফুটবলে অভিষেক ঘটে ম্যারাডোনার। তার প্রতিপক্ষ ছিল তায়েরেস। সেই ম্যাচে প্রথমবার বল পেয়ে তিনি প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে দুই পায়ের মাঝ দিয়ে বল বের করে বোকা বানান। ছোট্ট সেই মুহূর্তেই যেন ফুটবল বিশ্বকে নিজের আগমনী বার্তা দিয়েছিলেন তিনি।
আরেকটি মজার তথ্য হলো, শৈশবে ম্যারাডোনার প্রিয় ফুটবলারদের মধ্যে একজন ছিলেন উত্তর আয়ারল্যান্ডের জর্জ বেস্ট। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রিভেলিনো এবং আর্জেন্টাইন রিকার্দো বোচিনিও ছিলেন তার পছন্দের খেলোয়াড়।
১৯৮৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করার পথে তিনি পাঁচ গোলের পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছিলেন চার গোল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের মাত্র চার মিনিট পর তিনি শতাব্দীসেরা গোল করেছিলেন।
ম্যারাডোনা নেই; কিন্তু ফুটবলকে নিজের মতো করে ভালোবাসতে শেখানো তার সেই জাদু আজও কোটি সমর্থকের স্মৃতিতে বেঁচে আছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন