প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লিংকডইন এখন অনেকের কাছে প্রেমের সম্পর্ক গড়ার অথবা ডেটিং অ্যাপের নতুন স্থান হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক একটি জরিপে জানা গেছে, চাকরির খোঁজের পাশাপাশি অনেকেই এই платформার মাধ্যমে জীবনসঙ্গী খুঁজছেন এবং সেখান থেকেই শুরু হচ্ছে প্রেমের সম্পর্ক।
এসএফগেট–এর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জীবনবৃত্তান্ত তৈরির ওয়েবসাইট জেটির পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, প্রতি আটজনের মধ্যে একজন লিংকডইনের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন।
তবে এই প্রবণতা বৃদ্ধি পেলেও বিষয়টি নিয়ে অনেকের মধ্যে একটি অস্বস্তি রয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৬৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন, লিংকডইনের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে তা তাদের সামাজিক বা পেশাগত ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
জরিপে আরও তথ্য উঠে এসেছে, বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে সহস্রাব্দ প্রজন্মের ৩৩ শতাংশ মানুষ লিংকডইনকে প্রেমের সম্পর্ক তৈরির কাজে ব্যবহার করছেন। এরপর নতুন প্রজন্মের ২৭ শতাংশ, মধ্যবয়সী প্রজন্মের ১৯ শতাংশ এবং প্রবীণদের ৬ শতাংশ এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রেমের চেষ্টা করছেন।
জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে, লিংকডইনে কারও সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে অনেকেই প্রোফাইলের ছবি, নিজের পরিচিতি, পারস্পরিক পরিচিত ব্যক্তি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনায় নেন।
তবে সবাই এই প্রবণতাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন না। জরিপে ৩৪ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেছেন, যদি কেউ প্রেমের উদ্দেশ্যে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তাহলে তারা অস্বস্তি অনুভব করবেন। আর ২৬ শতাংশের মতে, লিংকডইন শুধু পেশাগত যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবেই থাকা উচিত।
জেটির পেশা–বিষয়ক বিশেষজ্ঞ জাসমিন এসকালেরা বলেছেন, বর্তমানে মানুষ ব্যক্তিগত এবং পেশাগত পরিচয়কে আলাদা করে দেখতে পারছেন না। তার মতে, এখন লিংকডইনের প্রোফাইলে শুধুমাত্র একজনের চাকরির পরিচয় নয়, তার মূল্যবোধ, ব্যক্তিত্ব এবং বিশ্বাসযোগ্যতাও ফুটে ওঠে। এই কারণে অনেকেই এখন শুধুমাত্র পেশাগত যোগাযোগ নয়, ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্র হিসেবেও এই মাধ্যমটিকে গ্রহণ করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন