প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কক্সবাজার সৈকতে প্যারাসেইলিংয়ের সময় এক পর্যটকের মৃত্যুর কারণে সব ধরনের প্যারাসেইলিং কার্যক্রম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সৈকতের সব পয়েন্টে প্যারাসেইলিং কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে।
দুর্ঘটনার পর প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গতকাল রোববার দুপুরে দরিয়ানগর প্যারাসেইলিং পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সন্ধ্যায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পরিচালিত ফ্রাই এয়ার সি স্পোর্টসের স্থাপনা ধ্বংস করা হয়। অভিযানে প্যারাসেইলিং সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) মো. মাহমুদুর রহমান সায়েম জানান, অভিযানে প্রায় পাঁচ থেকে ছয়টি স্পিডবোটের ইঞ্জিন, অ্যাসেম্বল ও ডিসঅ্যাসেম্বল করা বিভিন্ন যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয়েছে। এছাড়াও ছয় থেকে সাতটি জেরিক্যান ভর্তি জ্বালানি এবং বিভিন্ন স্পেয়ার পার্টসও জব্দ করা হয়েছে।
গত শনিবার বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে প্যারাসেইলিং করার সময় শৌভিক রয় নামে এক পর্যটক ছিটকে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর নিরাপত্তাহীন এ বিনোদন কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এদিকে, শৌভিক রয় নিহতের ঘটনায় রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নিহতের বোন একটি মামলা দায়ের করেন।
পর্যটকদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, আবহাওয়ার ঝুঁকি মূল্যায়ন, সরঞ্জামের নিয়মিত পরীক্ষা কিংবা জরুরি উদ্ধার প্রস্তুতি নিশ্চিত না করেই প্যারাসেইলিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তাই শৌভিকের মৃত্যুর পর পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক বেড়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান জানান, জেলা প্রশাসন প্যারাসেইলিং কার্যক্রমের অনুমোদন দেয়নি এবং ইতোমধ্যে মেরিন ড্রাইভের পাশে সব প্যারাসেইলিং বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন