প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দীর্ঘ প্রায় তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার শুরু হওয়ার পর প্রথম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৯৩ মেট্রিক টন মাছ অবতরণ করা হয়েছে। যাতে সরকারের রাজস্ব আদায় হয়েছে প্রায় ৪২ লাখ টাকা। গত কয়েক বছরের তুলনায় মাছ আহরণ শুরুর প্রথম দিনেই এবারের অবতরণ ও রাজস্ব আদায় আগের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)।
বিএফডিসি রাঙামাটি বিপণন কেন্দ্রের সূত্র থেকে জানা গেছে, প্রথম ২৪ ঘণ্টায় অবতরণ করা মাছের মধ্যে বড় মাছের কার্পজাতীয় প্রজাতির পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ চাপিলা ও কাচকিও রয়েছে।
বিএফডিসি রাঙামাটি ব্যবস্থাপক ফয়েজ আল করিম বোচন করেন, কাপ্তাই হ্রদের বর্তমান পানির স্তর মাছ আহরণের জন্য খুবই অনুকূলে রয়েছে। দীর্ঘদিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এবার মাছের আকার ও উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলস্বরূপ, নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রথম দিনেই বিপুল পরিমাণ মাছ অবতরণ হয়েছে।
প্রথম দিনেই বড় পরিমাণে মাছ অবতরণ হওয়া এবং রাজস্ব আদায় দেখে সংশ্লিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী ও অন্যান্যদের মধ্যে উৎসাহ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ বিরতির পরে মাছ শিকার শুরু হওয়ায় রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির হাজার হাজার জেলে ও শ্রমিকদের কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে। মাছ অবতরণের ঘাটগুলোর দিকে পাইকারি ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে।
স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করেন, যদি আবহাওয়া ও হ্রদের পরিবেশ অনুকূলে থাকে, তবে পুরো মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদ থেকে এবার রেকর্ড পরিমাণ মাছ আহরণ সম্ভব হতে পারে। এর ফলে জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের আয় বাড়ার পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন