প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শারদীয় দুর্গাপূজার টানা ছুটির কারণে মাছের দাম কমেছে। সবজির বাজারেও স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে মুরগি ও ডিমের দাম আগের মতোই রয়েছে। বিক্রেতাদের মতে, ছুটির সময় ক্রেতাদের উপস্থিতি কম থাকায় মাছ ও সবজির দাম কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন কাঁচাবাজার পরিদর্শন করে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে আলাপচারিতার মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারে শিমের দাম প্রতি কেজি ১৪০-১৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৮০ টাকা। কাঁচামরিচের কেজি দামও ২০ টাকা কমে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাদা গোল বেগুনের দাম ১০০ টাকা কেজি, আর লম্বা বেগুনের দাম ৮০ টাকা। গত সপ্তাহে লম্বা বেগুনের দাম ছিল ১২০ টাকা। তবে টমেটোর দাম প্রতি কেজি ১৫০-১৬০ টাকায় ২০ টাকা বেড়ে গেছে।
এছাড়া, ধুন্দল প্রতি কেজি ৮০, ফুলকপি ৬০, শসা ৭০ থেকে ৮০, গাজর ১০০, কাঁকরোল ও করলা ৮০ টাকা এবং পটল ও ঢেঁড়স ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে লাউ পিসের দাম আকারভেদে ৫০-৬০ টাকায় রয়েছে। লেবুর হালি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপের দামও তুলনামূলকভাবে কম, প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
ফরিদপুর সদর উপজেলার সরকারি হেলিপ্যাডের কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা আহমেদ জানান, শীতকালীন সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা কমেছে। ফলে খুচরা বাজারেও ক্রেতারা কম দামে সবজি কিনতে পারছেন।
বাজারে বড় রুই মাছের দাম প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা, কাতল ৪০০-৪২০ টাকা, পাঙাশ ২০০ টাকা এবং পাবদা ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশীয় অন্যান্য ছোট মাছের দামও তুলনামূলকভাবে কমেছে।
কানাইপুর বাজারে মাছ কিনতে আসা আমেনা বেগম জানান, চার-পাঁচ দিন আগে বড় আকারের রুই মাছের দাম ছিল ৪৫০ টাকা প্রতি কেজি। কিন্তু আজ তিনি একই মাছ ৩৫০ টাকায় কিনেছেন। এছাড়া সবজির বাজারেও বিভিন্ন পণ্যের দাম কম মনে হয়েছে। তিনি মনে করেন, শীতের আগাম সবজির সরবরাহ বাড়ায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
একই বাজারের মাছ বিক্রেতা হোসনেয়ারা জানান, পূজার ছুটিতে অনেকেই গ্রামে চলে গেছেন। এর ফলে বাজারে ক্রেতার সংখ্যা কমে গেছে। যদিও মাছের সরবরাহ বেশি, কিন্ত ক্রেতার অভাবে দাম কিছুটা কমেছে। তিনি জানান, গতকাল মাছের দাম আরও কম ছিল। তবে মাছের বাজার সবসময় ওঠানামা করে।
এদিকে, মাছের বাজারে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও মুরগির দামে তেমন পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৮০, সোনালি মুরগির দাম ৩১০-৩২০ এবং লেয়ার মুরগির দাম ৩৫০-৩৬০ টাকা রয়েছে।
ফরিদপুর টেপাখোলা বাজারের বিক্রেতা আরমান জানান, পাইকারি বাজারে মুরগির দাম বেশি থাকায় খুচরা বাজারে দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।
ডিমের দামও ক্রেতাদের জন্য একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাজারে প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতা আবু জাফর জানান, ডিমের দাম প্রতিদিনই বাড়ছে এবং পরিস্থিতি দেখে আপাতত দাম কমার সম্ভাবনা নেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন