প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াতের বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দেশকে ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শরিফুল কবির মিলনায়তনে বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।
নুরুল হক নুর উল্লেখ করেন, জামায়াতে ইসলামীর পৃষ্ঠপোষকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে অসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিণত করা হয়েছে। তিনি বলেন, জামায়াতের সাইবার আক্রমণের কারণে সরকারি দলের অনেক সদস্য কথা বলার সাহস হারিয়েছেন এবং অনেকে এ বিষয়ে চুপ থাকছেন। এই সাইবার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু যদি কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ভুয়া আইডি খুলে অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন এবং পরিকল্পিতভাবে অন্যদের আক্রমণ করেন, তাহলে সেটি ইসলামী আদর্শের রাজনীতির সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াত-শিবিরের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। সরকারের উচিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে সাইবার অপপ্রচার ও দুর্বৃত্তায়ন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। তিনি গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, মিত্রদের যথাযথ মূল্যায়ন করা সরকারের দায়িত্ব। যদি মিত্রদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়, তাহলে তা রাজনৈতিক ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
নুরুল হক নুর বলেন, রাজপথের আন্দোলনে যখন তারা সক্রিয় ছিলেন, তখন অনেকেই তাদের সমর্থন করেছিলেন। বড় রাজনৈতিক সংকটের সময় যারা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের মূল্যায়ন করা সরকারের দায়িত্ব।
তিনি দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। নুর বলেন, এসব অপপ্রচারে তারা বিচলিত হবেন না। দায়িত্ব গ্রহণের পর তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না বলেও তিনি দাবি করেন।
আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির কারণে দেশে নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন নুর। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে গণঅধিকার পরিষদ জনগণের পাশে থেকে ভূমিকা রাখবে।
আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁনসহ বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদ ও অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন