প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আজ রবিবার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব হিসেবে শ্যামাপূজা (কালীপূজা) ও দীপাবলি উদযাপন করা হচ্ছে। সাধারণত কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। দেবী শ্যামা মা শক্তি ও শান্তির প্রতীক হিসেবে হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে পূজার আয়োজন চলছে এবং সর্বত্র আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের পরিবেশ বিরাজ করছে।
বাংলাদেশের বাঙালি সংস্কৃতিতে কালীপূজা ও দীপাবলির উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম। দীপাবলিকে বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ‘দীপাবলি’ নামে অভিহিত করেন, অপরদিকে অবাঙালি হিন্দুরা একে ‘দিওয়ালি’ বলে। ধর্মীয় এই উৎসবকে অনেকেই ‘দীপান্বিতা কালীপূজা’ নামেও চিহ্নিত করেন।
অশুভ ও অকল্যাণের প্রতীক অন্ধকারকে দূর করে শুভ ও কল্যাণের প্রতিষ্ঠায় এই উৎসবটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে শত শত বছর ধরে পালন হয়ে আসছে। বাঙালি, অসমীয়া ও ওড়িয়া হিন্দুরা এই বিশেষ তিথিতে কালীপূজা উদযাপন করেন।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, রবিবার দুপুর ১টা ২ মিনিটে আমাবস্যা তিথি শুরু হবে, যা আগামীকাল সোমবার সকাল ১১টা ৫৮ মিনিটে শেষ হবে। কালীপূজা সাধারণত মধ্যরাতে শুরু হয়। একই তিথিতে অনেকেই লক্ষ্মীপূজাও পালন করেন। কালীপূজার দিন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সন্ধ্যায় তাঁদের বাড়িতে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্বালন করে স্বর্গীয় পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের স্মরণ করেন।
ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রমনা মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, সবুজবাগ থানাধীন শ্রীশ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, পুরান ঢাকার রাধাগোবিন্দ জিউ ঠাকুর মন্দির, পোস্তগোলা মহাশ্মশান, তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজার, বাংলাবাজারসহ বিভিন্ন মণ্ডপ ও মন্দিরে শ্যামাপূজার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন