প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় চপ-পেঁয়াজু ব্যবসায়ীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা ঘটে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার হারদী ইউনিয়নের ওসমানপুর গ্রামে।
মৃত ব্যক্তির নাম চয়ন (৪০)। তিনি হারদী ইউনিয়নের হারদী কৃষি ক্লাবপাড়ার গদো মিয়ার ছেলে। চয়ন চপ-পেঁয়াজু বিক্রি করে নিজের জীবিকা নির্বাহ করতেন।
মৃত চয়নের স্বজনদের অভিযোগ, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে পার্শ্ববর্তী ওসমানপুর গ্রামের হেলাল মুঠোফোনে চয়নকে নিজ বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে তাকে মারধর করা হয়। পরে চয়নের ছেলে মারুফকে ফোন করে জানানো হয় যে তার বাবার কাছে টাকা পাওনা রয়েছে। একই সঙ্গে মারুফ ও তার দাদাকে তিনটি স্ট্যাম্প কিনে হেলালের বাড়িতে যেতে বলা হয়।
দুপুরের দিকে মারুফ ও তার দাদা সেখানে পৌঁছালে তাদের জানানো হয় যে চয়ন আত্মহত্যা করেছে। পরে একটি ভ্যানে করে চয়নের মরদেহ হারদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মরদেহ রেখে ভ্যানচালক চলে যান।
চয়নের ছেলে মারুফ বলেন, ‘আমার বাবাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হেলালের পরিবারের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। তাদের সঙ্গে কোনো আর্থিক লেনদেন ছিল কিনা, তা জানি না। টাকা-পয়সার কোনো লেনদেন থাকলেও আমরা তা পরিশোধ করতাম। কিন্তু এ জন্য তাকে কেন পিটিয়ে হত্যা করা হলো?’
হারদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রুবায়েদ হাসান জানান, হাসপাতালে আনার আগেই চয়নের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
আলমডাঙ্গা থানার ওসি রাকিবুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন