প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষা এবং আইসিটি দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে পাঁচটি আন্তর্জাতিক মানের কোর্স চালু হতে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যে স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (সিসিপ) এবং বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
চুক্তিটি মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড রুমে স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিসিপ-এর অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন, যুগ্মসচিব ও উপ-নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক ড. মাইনুল হাসান, উপসচিব ও সহকারী নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক মো. মতিউর রহমান এবং উপসচিব ও সহকারী নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক মৌরীন করিম।
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. খাদেমুল ইসলাম মোল্যা, নির্বাহী পরিচালক মো. শামিম আহসান পারভেজ, পাবলিক হেলথ প্রোগ্রামের ভিজিটিং প্রফেসর ড. মো. মুনসুর আহমেদসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় প্রধান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার লে. কর্নেল মো. খালেদ বিন ইউসুফ (অব.).
এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক-এর অর্থায়নে পরিচালিত এই কর্মসূচির আওতায় ক্লাউড কম্পিউটিং, ডেটা ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং এবং নেটওয়ার্ক প্রশাসনসহ জাপানি ভাষার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন সনদ অর্জনের সুযোগ পাবেন।
এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৮ সালের জুলাই পর্যন্ত চলবে। এতে মোট ১ হাজার ২০০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে রাজশাহী কেন্দ্র থেকে ৪৫০ জন এবং ঢাকার কেন্দ্র থেকে ৭৫০ জন প্রশিক্ষণ নেবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. খাদেমুল ইসলাম মন্তব্য করেন, রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের আইসিটি গ্র্যাজুয়েটদের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তুলনামূলকভাবে সীমিত। নতুন এই কর্মসূচির মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের গ্র্যাজুয়েটদের নিজ এলাকায় আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে শিল্পখাতের একটি দূরত্ব রয়েছে। এই দূরত্ব কমিয়ে শিক্ষার্থীদের শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ করে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। একই সঙ্গে গ্র্যাজুয়েটদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং তাদের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় ও চাহিদাসম্পন্ন খাতে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জনে সক্ষম হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন