প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্যারিসের বিক্ষোভ ও অস্থিরতার মাঝে লিওনেল মেসির সঙ্গে সম্পর্কিত দুটি মূল্যবান স্মৃতিচিহ্ন চুরি হয়েছে। মুখোশ পরিহিত কয়েকজনকে মেসির স্বাক্ষর করা একটি বার্সেলোনার জার্সি এবং অধিনায়কত্বের বাহুবন্ধনীসহ দুটি বাঁধানো ফ্রেম নিয়ে রাস্তায় হাঁটতে দেখা গেছে। এই ঘটনা ঘটে ১৭ অক্টোবরের অস্থিরতার সময়। একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্যারিসের একটি ফুটবল জাদুঘর বা ক্রীড়া সংগ্রহশালা থেকে এসব সামগ্রী চুরি করা হয়েছে। তবে ভিডিওতে সামগ্রীর উৎস দেখা যায়নি।
চুরি হওয়া জার্সিটিতে বার্সেলোনার ১০ নম্বর এবং মেসির স্বাক্ষর ছিল। অন্য ফ্রেমে মেসির স্বাক্ষর করা অধিনায়কত্বের বাহুবন্ধনী ছিল, যেখানে ম্যাচ চলাকালে সেটি পরা মেসির একটি ছবি অন্তর্ভুক্ত ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে কালো পোশাক ও মুখ ঢাকা কয়েকজনকে এসব সামগ্রী বহন করতে দেখা যায়।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে লুটের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। তবে মেসির স্মৃতিচিহ্নগুলো কোথা থেকে নেওয়া হয়েছিল এবং সেগুলো বর্তমানে কোথায় রয়েছে, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এগুলো ফুটবল জাদুঘর থেকে চুরি হয়েছে, অন্যদিকে কিছু প্রতিবেদনে শুধুমাত্র একটি সংগ্রহশালা বা প্রতিষ্ঠানে লুটের কথা বলা হয়েছে। ফলে ঘটনার সবিস্তার পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।
মেসির বার্সেলোনা অধ্যায়ের স্মৃতিচিহ্ন হওয়ায় সামগ্রীর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনেক। স্বাক্ষর করা জার্সি ও ম্যাচে ব্যবহৃত অধিনায়কত্বের বাহুবন্ধনী সংগ্রাহকদের কাছে বিশেষ মূল্য বহন করে। তবে চুরি হওয়া সামগ্রী দুটির নির্দিষ্ট আর্থিক মূল্য সম্পর্কে এখন পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য কোনো হিসাব প্রকাশ করা হয়নি।
ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে মেসি নিজে এসব সামগ্রীর মালিক ছিলেন কি না বা তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো ক্ষতির মুখে পড়েছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আপাতত নিশ্চিতভাবে বলা যায়, মেসির স্বাক্ষরযুক্ত দুটি বাঁধানো স্মৃতিচিহ্ন প্যারিসের অস্থিরতার সময় মুখোশধারীদের হাতে দেখা গেছে এবং সেগুলোর বর্তমান অবস্থান অজানা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন