প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, ‘গিয়াস কামাল চৌধুরী, আতাউস সামাদ ও ফয়েজ আহমেদের মতো সাংবাদিকরা সত্যনিষ্ঠা, নীতিবোধ ও আদর্শে বলীয়ান ছিলেন। তাদের দৃঢ় অবস্থান ও সাহসিকতা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।’
তিনি সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত একটি আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘স্বৈরাচার এরশাদের শাসনামলে দেশের মানুষ সংবাদ জানার জন্য বিবিসি ও ভয়েস অব আমেরিকার ওপর নির্ভর করত। তখন ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরী এবং বিবিসির সাংবাদিক আতাউস সামাদের সংবাদ পরিবেশন মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাদের কণ্ঠে দেশের পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক কর্মসূচির খবর শুনত মানুষ।’
তিনি আরও বলেন, ‘এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় সাংবাদিকদের ওপর চাপ ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটলেও গিয়াস কামাল চৌধুরী সাহসের সঙ্গে সংবাদ পরিবেশন অব্যাহত রেখেছিলেন। এমনকি তিনি কোথা থেকে সংবাদ পাঠাচ্ছেন, সেটিও গোপন রাখতে হতো। এ ধরনের সাহসিকতা ও পেশাগত নিষ্ঠা তাকে মানুষের কাছে বিশেষ মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিল।’
বিএনপির এই নেতা উল্লেখ করেন, ‘সে সময়ের সাংবাদিকেরা ছিলেন নীতিবান, দৃঢ়চেতা ও আপসহীন। তাদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হলেও অনেকেই আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এই দৃষ্টান্ত বর্তমান সময়েও গুরুত্বপূর্ণ।’
গিয়াস কামাল চৌধুরীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে রিজভী বলেন, ‘ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়াস কামাল চৌধুরীর বক্তব্য দেওয়ার দক্ষতা এবং তরুণদের প্রতি তার স্নেহশীল আচরণ তাকে মুগ্ধ করেছিল। তিনি ছিলেন অভিভাবকসুলভ ব্যক্তিত্বের অধিকারী।’
এ সময় গিয়াস কামাল চৌধুরীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন রুহুল কবীর রিজভী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন