প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় তদন্তে ৬১ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। ওই ৬১ জনের মধ্যে ৫৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।
রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুর বেলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন। চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, খসড়া তালিকায় ৬১ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। সেই ৬১ জনের মধ্যে ৫৮ জনের পরিচয় ইতোমধ্যে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তবে বাকিদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
হেফাজতের নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে বৈঠকের প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘রিপোর্টের খসড়া সম্পর্কে আমরা আলোচনা করেছি। আমরা চাই কোনো আসামি যাতে বাদ না যায় এবং নির্দোষ কেউ যেন আসামি না হয়। আশা করি, ২১ জুলাই নির্ধারিত সময়েই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ দাখিল করা হবে।’
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত অন্যদের মধ্যে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘শুরু থেকেই আমরা বলে আসছি নিহতের তথ্য অনেক মিসিং রয়েছে। যেহেতু তৎকালীন সময়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে শাপলার শহিদদের লাশ গুম করার অপচেষ্টা হয়েছে, সেহেতু এই তদন্ত প্রতিবেদনে তাদের কোনো তথ্য নেই। অথেন্টিকভাবে যাদের তথ্য আমাদের কাছে সংরক্ষিত ছিল, নিহত ৬১ জনের তথ্য তাদেরই।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অন্যদের মধ্যে হেফাজতের সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল হামিদ ছাড়াও যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, মুফতি হারুন ইজহারসহ দলটির একটি প্রতিনিধি দল। এর আগে রবিবার সকালে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনটি হাতে পায় প্রসিকিউশন। পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজসহ ৪১ জনকে এতে আসামি করা হয়েছে।
সঙ্গে এ ছাড়া মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন একাত্তর টিভির সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু, বেসরকারি টেলিভিশনটির সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা ও সাংবাদিক শাহরিয়ার কবীর। সেই সঙ্গে তৎকালীন পুলিশ ও র্যাব প্রধানসহ ডিএমপি কমিশনারকেও এতে আসামি করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন