প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বগুড়ায় বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে হাঁটুর নিচে অ্যাংলেটে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা করার সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) কর্তৃক স্বামী ও স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল জামালপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানার দোগাছী গ্রামের সোহাগ মৃধা (৩১) এবং তার স্ত্রী মোছা. সারমিন খানম (২৫)। বর্তমানে তারা ঢাকার মিরপুর-১ এলাকার মধ্যপাইকারপাড়ার আহম্মদ নগর এলাকায় বসবাস করতেন। ডিএনসি জানায়, স্বামী সোহাগ মৃধার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বগুড়া জেলা কার্যালয়ের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল জামালপুর এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে অবস্থান নেয় ডিএনসি। এ সময় ঢাকা থেকে বগুড়াগামী আর কে ট্রাভেলস্ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানের সময় স্ত্রী সারমিন খানের দেহ তল্লাশি করা হয়। তল্লাশীর ফলে সারমিনের ডান পায়ের হাঁটুর নিচে অ্যাংলেটে স্কচটেপ মোড়ানো ২০টি প্যাকেটে চার হাজার পিস এবং বাম পায়ের নিচে অ্যাংলেটে থাকা ১৯টি প্যাকেটে তিন হাজার আটশত পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। মোট ৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবার ওজন ৭৬০ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২৩ লাখ টাকা। এছাড়া, মাদক পাচারে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বগুড়ার উপ-পরিচালক মো. জিললুর রহমান জানান, এ ঘটনায় শাজাহানপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত চলছে, যাতে দেখা যায় এই মাদকের চালানের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না। যদি সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তবে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। সরকারের ঘোষণার ভিত্তিতে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন