প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৬ বিশ্বকাপে সুইডেন ও তিউনিশিয়ার খেলায় এবার ফুটবলের স্কোরলাইনের চেয়ে আলোচনা কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে এক অভিনব প্রযুক্তি—ক্রিকেটে বহুল ব্যবহৃত ‘স্নিকো’ প্রযুক্তি।
মেক্সিকোর মন্তেরেই স্টেডিয়ামে আয়োজিত ‘এফ’ গ্রুপের এই ম্যাচে সুইডেন ৫-১ গোলে তিউনিশিয়াকে পরাজিত করেছে, তবে ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায় একটি গোলের সিদ্ধান্ত।
ম্যাচের ৮৪ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মাটিয়াস সভানবার্গ। তিনি মাঠে নেমে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে গোল করে ফেলার পর সহকারী রেফারি অফসাইডের পতাকা তোলেন। কিন্তু ভিএআর (VAR) পর্যালোচনার মাধ্যমে দেখা যায়, আলেকসান্দার ইসাকের সামান্য স্পর্শের জন্য খেলা অফসাইড হয়নি।
সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সূক্ষ্ম বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয় ক্রিকেটে ব্যবহৃত ‘স্নিকো’ প্রযুক্তি, যা বলের সংস্পর্শ ও টাইমিং নির্ধারণে সহায়তা করে। প্রযুক্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত পাল্টিয়ে গোলটি বৈধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
এই গোলের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবল বিশ্লেষক ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে, কারণ ফুটবলে সাধারণত এমন প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত বিরল।
ম্যাচে শুরু থেকেই বোঝা যায় সুইডেনের আধিপত্য। ইয়াসিন আয়ারির দুটি গোল, আলেকসান্দার ইসাক ও ভিক্টর গেয়োকেরেসের একটি করে গোল এবং সভানবার্গের গোলের মাধ্যমে বড় জয়ে পৌঁছে সুইডেন। তিউনিশিয়ার একমাত্র গোলটি আসে ওমর রেকিকের পা থেকে।
শেষ মুহূর্তে পুনরায় আলোচনায় আসেন আয়ারি, যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ৫-১ ব্যবধান নিশ্চিত করেন।
কিন্তু স্কোরলাইন নয়, ‘স্নিকো’ প্রযুক্তির মাধ্যমে নেওয়া গোলের সিদ্ধান্তই ম্যাচ শেষে আলোচনা প্রধান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন