প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) বঙ্গোপসাগরের পরিবেশ, সমুদ্রের অবস্থা ও আবহাওয়ার তথ্য সংগ্রহের জন্য সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণ বয় স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
চীনের সেকেন্ড ইনস্টিটিউট অব ওশানোগ্রাফি (এসআইও) থেকে বয় স্থাপনের স্থান নির্বাচন, পরিচালনা এবং সংগৃহীত তথ্য গবেষণায় ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
চবির তথ্য ও জনসংযোগ দফতর জানিয়েছে, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকানের নেতৃত্বে চবির একটি প্রতিনিধিদল ১৪ থেকে ১৮ অক্টোবর চীন সফর করে।
সফরের সময় সমুদ্র পর্যবেক্ষণের প্রযুক্তি, যৌথ গবেষণা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এই পর্যবেক্ষণ বয় সমুদ্রে নির্দিষ্ট স্থানে রেখে তথ্য সংগ্রহের যন্ত্র হিসেবে কাজ করবে। বঙ্গোপসাগরে যন্ত্রটি কোথায় বসানো হবে, কীভাবে পরিচালিত হবে এবং এর তথ্য কীভাবে কাজে লাগানো যাবে, এসব বিষয়ে ১৬ অক্টোবর এসআইওর গবেষক ও প্রকৌশলীদের সঙ্গে কারিগরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
যদি এই উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে সামুদ্রিক পরিবেশ ও আবহাওয়াসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
চবির সঙ্গে এসআইওর সহযোগিতার আরেকটি ক্ষেত্র হলো স্যাটেলাইটভিত্তিক সমুদ্র পর্যবেক্ষণ। এর আগে, ৯ জুন এসআইওর প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় চবিতে ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন উদ্বোধন করা হয়।
এ সফরে প্রতিনিধি দল চীনের লিনআনে প্রতিষ্ঠানটির স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন পরিদর্শন করে। সেখানে চবির স্টেশনটির কার্যক্রম ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়ে গবেষকদের সঙ্গে মতবিনিময় হয়।
এসআইওর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যবেক্ষণে রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তির ব্যবহার, তথ্য বিশ্লেষণের পদ্ধতি উন্নয়ন, গবেষণার প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যার তৈরি এবং সমুদ্রের পূর্বাভাসের বিষয়গুলো উঠে আসে।
এছাড়াও শিক্ষক ও গবেষক বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করা হয়। সফরের সময় ঝেজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও গবেষণা সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন চবি প্রতিনিধিদল।
দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক গড়ে তোলা, আন্তর্জাতিক গবেষণা তহবিল সংগ্রহ এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়ের বিষয়ে আলোচনা হয়। বিজ্ঞানকেন্দ্র ও জাদুঘর ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়ও এতে স্থান পায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন