প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম নগরের খুলশী এলাকায় মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রির সময় এক পুলিশ কনস্টেবলসহ পাঁচজনকে আটক করেছে খুলশী থানা-পুলিশ। আটক পুলিশ সদস্যের নাম অনিক দাশ। তিনি বান্দরবান জেলা পুলিশ লাইন্সে কর্মরত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি ছুটিতে আছেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সময় প্রথমে চক্রটির এক সদস্যকে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ কনস্টেবল অনিক দাশসহ আরও চারজনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ওই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে চক্রটির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নগর পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের একপর্যায়ে একজনকে আটক করার পর তাঁর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্যদের সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হয়। পরে নগরের খুলশী এলাকা থেকে পুলিশ কনস্টেবলসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়।
তবে মোটরসাইকেলটি কোথা থেকে চুরি করা হয়েছে, এর প্রকৃত মালিক কে এবং চক্রটির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্তের মাধ্যমে এসব বিষয় নিশ্চিত হওয়ার কথা।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বলেন, বান্দরবান জেলা পুলিশের একজন কনস্টেবল ও তাঁর চার সহযোগীকে চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রির সময় আটক করা হয়েছে।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান জানান, চোরাই মোটরসাইকেল চোর চক্রের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযানের সময় প্রথমে চক্রটির এক সদস্যকে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ কনস্টেবলসহ অন্যদের আটক করা হয়। প্রাথমিকভাবে ওই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে চক্রটির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
বান্দরবান জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, চট্টগ্রাম নগরে চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রি করতে গিয়ে এক পুলিশ কনস্টেবল আটক হয়েছেন। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা করা হচ্ছে। মামলার কাগজপত্র পাওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশের একজন সদস্যের বিরুদ্ধে চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
এ ঘটনায় আটক পাঁচজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বিস্তারিত তথ্য, উদ্ধার করা মোটরসাইকেলের পরিচয় এবং তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আরও তথ্য পাওয়ার অপেক্ষা রয়েছে
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন