প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বাস ইজারা বা ভাড়া বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে। সরকারি মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াতের জন্য এই রিটটি করা হয়েছে।
এছাড়া, বর্তমানে সরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত সকল বিআরটিসি বাস সাধারণ যাত্রীদের জন্য নিয়মিত বাণিজ্যিক রুটে চালানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন এই রিটটি দায়ের করেন। এতে মন্ত্রিপরিষদসচিব, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব এবং বিআরটিসির চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন আইন, ২০২০ অনুযায়ী বিআরটিসির বাস জনস্বার্থে সাধারণ যাত্রীদের গণপরিবহন হিসেবে পরিচালিত হওয়ার কথা। কিন্তু বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াতের জন্য এসব বাস ইজারা দেওয়া হচ্ছে, যা আইনটির উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।
আবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিআরটিসির বাস ইজারা নীতিমালা, ২০০৭ অনুযায়ী কেবল অভিজ্ঞ বাণিজ্যিক পরিবহন ব্যবসায়ীরা বাস ইজারা নিতে পারেন এবং ইজারা নেওয়া বাস তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তরও নিষিদ্ধ। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাস দেওয়ার মাধ্যমে এসব বিধান লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
রিটকারীর দাবি, জনগণের করের টাকায় কেনা বিআরটিসির বাস সাধারণ যাত্রীদের পরিবর্তে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বরাদ্দ রাখা সংবিধানের সমতা ও আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বেসরকারি পরিবহন খাত থেকে বাস ভাড়া নিলে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়তে পারে।
এসব বিবেচনায় সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে বিআরটিসির বাস ভাড়া দেওয়ার কার্যক্রম কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন