প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বোস্টনের পাবগুলিতে স্কটিশ সমর্থকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন।
১৯৯৮ সালের পর এবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে স্কটল্যান্ড। প্রথম ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে জয়ী হয়ে স্কটিশ ফুটবলপ্রেমীরা আনন্দিত।
তাদের জয়ের খুশি উদযাপনে পাবগুলোতে তারা ভিড় করছে। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে পাব মালিকরা তাদের পানীয়ের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছেন।
বোস্টনে প্রায় ১০ হাজার স্কটিশ ফুটবলপ্রেমী এসেছে স্কটল্যান্ডকে সমর্থন জানাতে। ২৮ বছর পর তাদের দেশের জন্য বিশ্বকাপ, ৩৬ বছর পর তারা প্রথম ম্যাচে জয় পেয়ে উল্লসিত।
স্কটিশ সমর্থকদের উচ্ছ্বাস স্তব্ধ হতে চাইছে না। তারা জাতীয় পতাকা উড়িয়ে এবং সংগীত গেয়ে র্যালি করেছে শহরটিতে। তাদের এই উচ্ছ্বাস কিছু বোস্টনের বাসিন্দাদের কাছে বিস্ময়ের কারণ হলেও পাব মালিকেরা এর জন্য বেশ খুশি।
বোস্টনের একটি জনপ্রিয় পাবের জেনারেল ম্যানেজার বিলি ডিকেইন বলছেন, "৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যবসা করছি। এমন পরিস্থিতি কখনও হয়নি।" মরক্কোর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে যখন স্কটিশ দল বোস্টনে আসবে তখন থেকে বিয়ারের চাহিদা বেড়ে গেছে। আপাতত পরিস্থিতি সামলানো সম্ভব হলেও এক সপ্তাহের মজুত চার দিনেই প্রায় শেষ হয়ে যাবে। প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি যদি জরুরি ভিত্তিতে পানীয় সরবরাহ না করে, তবে সপ্তাহের শেষে পানীয় সঙ্কট দেখা দিতে পারে।
সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, স্কটিশরা সাধারণত পাবগুলিতে ভিড় করছেন। বোস্টনের গরমে তাদের জন্য তৃষ্ণা মেটানোর পছন্দের পানীয় হল বিয়ার। বিশ্বকাপের প্রথম সপ্তাহেই বোস্টনে বিয়ারের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাবগুলিতে মজুত থাকা বিয়ার প্রায় নেই বললেই চলে। চাহিদা দেখে পাব মালিকেরা জরুরি ভিত্তিতে প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিকে বিয়ার সরবরাহের জন্য অনুরোধ করেছেন। চাহিদা এত বেড়ে গেছে যে বোতলের পাশাপাশি প্রচুর ক্যানও বিক্রি হচ্ছে। বিশ্বকাপ উপলক্ষে এই আকস্মিক ব্যবসায় বৃদ্ধিতে পাব মালিকেরা উল্লসিত।
একটি বিয়ার উৎপাদক সংস্থা জানিয়েছে, ৪ জুলাই থেকে বোস্টনে চার দিনের ছুটি থাকে। প্রতি বছর এই সময়ে বিয়ারের চাহিদা থাকে, কিন্তু এবার তার চারগুণেরও বেশি বিয়ার বিক্রি হয়েছে সপ্তাহের প্রথম চার দিনে। এর ফলে তারা উৎপাদন বাড়িয়েছে। সপ্তাহের প্রথম চার দিনে তাদের ৪০০০ পিন্ট বিয়ার বিক্রি হয়েছে। তারা উৎপাদন বাড়িয়েও ফুটবলপ্রেমীদের চাহিদা মেটানোর ব্যাপারে নিশ্চিত নয়। মনে করা হচ্ছে, দ্বিতীয় ম্যাচেও স্কটল্যান্ড যদি জয়ী হয়, তবে চাহিদা আরো বাড়বে। তবে ব্যবসায় বৃদ্ধির কারণে তারা সন্তুষ্ট।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন