প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঠাকুরগাঁওয়ে স্ত্রীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে স্বামী মো. পারভেজ ইসলামকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে বন্ধুর সহায়তায়।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) তাকে ঠাকুরগাঁওয়ের বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় সোমবার (২ নভেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২ এবং সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার অপর আসামি হাফিজউদ্দীন বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর পারভেজ ইসলামের সঙ্গে বাদীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়। নির্যাতন ও ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগে প্রায় নয় মাস আগে স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিয়ের পর স্ত্রীর অজান্তে তার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সংরক্ষণ করেন পারভেজ। পরে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। এতে রাজি না হওয়ায় তার ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে পারভেজ তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু হাফিজউদ্দীনের কাছে এসব ছবি ও ভিডিও পাঠান এবং দুপক্ষের যোগসাজশে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে তা প্রকাশ করা হয়। এমনকি হাফিজউদ্দীনকে বিয়ে করার জন্যও বাদীর ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি শাহজাহান আলী জানান, মামলার প্রধান আসামি পারভেজ ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন