প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সংসদ ভবন, ২৭ জুন, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক সফর মালয়েশিয়া ও চীন সময়িক শ্রমের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক মর্যাদা ও স্বার্থের ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ‘অভূতপূর্ব সাফল্যের’ স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপনকালে এ মন্তব্য করেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের দুই দেশ সফর বিশেষভাবে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই সফরের মাধ্যমে মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে এবং পারস্পরিক মর্যাদা ও স্বার্থের ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, সফরকালে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ ছাড়া দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের ফলপ্রসূ বৈঠকের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির ভিত্তি তৈরি হয়েছে যেমন অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান।
মন্ত্রী পরবর্তীতে উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে যাওয়ার সময় এবং ফিরে আসার পর জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনার প্রচলিত সংস্কৃতি বন্ধ করে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের উদাহরণ স্থাপন করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতা ইতোমধ্যেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেকে একটি অবস্থান তৈরি করে ফেলেছেন। বাংলাদেশের মানুষ তাঁর সম্পর্কে ধারণা তৈরি করেছে যে তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করছেন এবং পুরনো সমস্ত খারাপ দৃষ্টান্তকে বাদ দিয়ে একটি নতুন দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করছেন।’
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা করেছেন।
পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ধন্যবাদ প্রস্তাবটি ভোটে দিলে সেটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা করেছেন।
পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ধন্যবাদ প্রস্তাবটি ভোটে দিলে সেটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন