প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেপালের পাশে দাঁড়িয়ে প্রলয়ংকারী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশটির জন্য ত্রাণ সহায়তার পরিমাণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করেছে। পূর্বঘোষিত ৫ লাখ ডলারের মানবিক সহায়তা একলাফে ৩৬ লাখ (৩.৬ মিলিয়ন) ডলারে উন্নীত করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দফতর।
শনিবার ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই জীবনরক্ষাকারী সহায়তা বন্যাদুর্গত অঞ্চলের মানুষের জন্য অত্যন্ত জরুরি খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী হিসেবে পৌঁছাবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) জানিয়েছে, মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ১০ হাজারেরও বেশি পরিবারের কাছে অন্তত তিন মাসের জরুরি খাদ্য সহায়তা পৌঁছানো হবে।
এই চরম সংকটময় মুহূর্তে মার্কিন প্রশাসন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, তারা নেপালের জনগণের পাশে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের কাছে জীবনরক্ষাকারী মানবিক সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত করাকে প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বিপর্যয়ের পরপরই মার্কিন সরকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষদের উদ্ধার ও পুনর্বাসনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করে। গত বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর প্রাথমিকভাবে দ্রুত সহায়তার অংশ হিসেবে ৫ লাখ ডলারের জরুরি তহবিল চালুর কথা জানিয়েছিল। পরিস্থিতির মারাত্মক রূপ দেখে এবং ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়ায় মাত্র দুই দিনের মাথায় এই বরাদ্দের পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়ানো হয়।
দুর্যোগ মোকাবিলার অংশ হিসেবে মার্কিন প্রশাসন তাদের কূটনৈতিক তৎপরতাও বৃদ্ধি করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, নেপালে থাকা তাদের নাগরিক ও পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ত্রাণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে কাঠমান্ডু ও বেইজিংয়ে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলো যৌথভাবে কাজ করছে। দুই দেশের দূতাবাসগুলো নেপাল সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দুর্যোগ মোকাবিলা এবং মার্কিন নাগরিকদের সুরক্ষায় অত্যন্ত নিবিড়ভাবে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করছে।
সূত্র: সিএনএন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন