প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজনীতির ক্ষেত্রে মতভেদ থাকা একটি স্বাভাবিক ব্যাপার, কিন্তু শহরের উন্নয়নের বিষয়টি সামনে রেখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি একত্রে বসতে চলেছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে মেয়রের সরকারি বাসভবন ‘গ্র্যাসি ম্যানশন’-এ।
হোয়াইট হাউস এবং নিউ ইয়র্ক মেয়র কার্যালয় উভয় পক্ষই বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মেয়র কার্যালয় জানিয়েছে, নিউ ইয়র্ক শহরের বিভিন্ন সমস্যা এবং উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
রাজনৈতিক আদর্শের দিক থেকে ট্রাম্প এবং মামদানি সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর প্রতিনিধিত্ব করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প রিপাবলিকান দলের শীর্ষ নেতা, অন্যদিকে মামদানি ডেমোক্রেটিক দলের একজন পরিচিত মুখ এবং সমাজতন্ত্রী। তবে রাজনৈতিক ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক বেশ আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ।
এর আগে তাদের মধ্যে বেশ ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এ বছরের শুরুতে হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে দুই নেতা মুখোমুখি ছিলেন। বৈঠক শেষে মামদানি জানান, নিউ ইয়র্ক সিটির উভয়ের জন্মস্থান হওয়ায় ট্রাম্পের সাথে সাধারণ মানুষের জন্য নতুন আবাসন গড়ে তোলার বিষয়ে তার আলোচনা খুবই ইতিবাচক হয়েছে।
একসময় পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। নির্বাচনের আগে ট্রাম্প মামদানিকে ‘কম্যুনিস্ট’ বলে সমালোচনা করেছিলেন। তবে নির্বাচনে মামদানি চমক দেখিয়ে জয়ী হওয়ার পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়। গত নভেম্বরে ওভাল অফিসে মামদানিকে পাশে বসিয়ে ট্রাম্প তার প্রশংসা করেন।
সেদিন ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছিলেন, এখানে রাজনৈতিক দল বা মতাদর্শের কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। মামদানি যদি ভালো কাজ করেন, তাহলে তিনি সবচেয়ে বেশি খুশি হবেন এবং নিউ ইয়র্ককে নিরাপদ করার লক্ষ্যে মেয়রকে সব ধরনের সহযোগিতা করবেন।
মামদানির রাজনৈতিক উত্থান পুরো যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে এক নতুন প্রবাহ সৃষ্টি করেছে। তিনি দ্রুত দেশের প্রভাবশালী ডেমোক্র্যাট নেতাদের একজন হয়ে উঠেছেন। রাজনৈতিক বিরোধীদের চোখ রাঙানি থাকলেও, নিউ ইয়র্কের মানুষের কল্যাণের জন্য ট্রাম্প ও মামদানির এক টেবিলে বসা মার্কিন রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক বার্তা প্রদান করছে।
সূত্র: দ্য হিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন