প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় ৮০ শতাংশ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহৃত হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাত দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গোলাবারুদের মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর সম্ভাব্য ইরানি পাল্টা হামলার উদ্বেগই প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের অবকাঠামোর ওপর পরিকল্পিত বড় ধরনের হামলা থেকে সরে আসতে প্রভাবিত করেছে। তবে পেন্টাগন এবং হোয়াইট হাউস গোলাবারুদের ঘাটতির দাবি নাকচ করে দিয়েছে।
পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল সিএনএনকে জানিয়েছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনী এবং প্রেসিডেন্ট যখন, যেখানে ও যেভাবে নির্দেশ দেবেন, সেই অনুযায়ী অভিযান পরিচালনার জন্য তাদের প্রয়োজনীয় সব সক্ষমতা রয়েছে।’
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলিও বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সব কৌশলগত লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য এবং তারও বেশি প্রয়োজন মেটানোর মতো পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ও অস্ত্রের মজুত যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।’
এর আগে রয়টার্স এবং সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের দীর্ঘপাল্লার স্থল থেকে স্থলে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় পুরো মজুত ব্যবহার করে ফেলেছে।
প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী আর্মি ট্যাক্টিক্যাল মিসাইল সিস্টেম বা এটিএসিএমএস এবং প্রেসিশন স্ট্রাইক মিসাইল বা পিআরএসএমের মত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ‘প্রায় সব’ মজুত ব্যবহার করেছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করে দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে হামলা চালানো সম্ভব হয়েছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সংঘাত চলাকালীন এসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হওয়ার কারণে মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদনক্ষমতা বিবেচনায় এই অস্ত্রভাণ্ডার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।
বিশ্লেষকদের অভিমত, দূরপাল্লার নির্ভুল হামলার সক্ষমতা বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে বর্তমানে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা উচিত। পাশাপাশি ভবিষ্যতে অন্য কোনো সম্ভাব্য সংঘাতের জন্য পর্যাপ্ত অস্ত্র মজুত রাখাও ওয়াশিংটনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর (পেন্টাগন) এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্রের অবশিষ্ট মজুত অথবা ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ প্রকাশ করেনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন