প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, যারা ক্ষমতায় না গিয়েই ভিন্নমতের মানুষের জানাজা ও দাফনে বাধা প্রদান করছে, তারা ক্ষমতায় গেলে আরও বর্বর হয়ে উঠবে। সুতরাং, দেশের সুরক্ষার জন্য জামায়াত-শিবিরের প্রভাব থেকে সবাইকে রক্ষা করা উচিত।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে তিনি এই বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াত-এনসিপির আদর্শিক নেতা শহীদ ওসমান হাদী বলেছেন, "আমরা আমাদের শত্রুর সঙ্গেও ইনসাফ চাই!" তবে, প্রশ্ন উঠছে, সেই ইনসাফ কি মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়া?
তিনি আরও জানান, জামায়াতের প্রয়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার সাক্ষী হওয়ার কারণে জামায়াতে ইসলামী মানিক পশারীর জানাজা হতে দেয়নি। এমনকি দুই মেয়ে ও এক বোন মোবাইলের আলোতে কবর খুঁড়ে দাফন সম্পন্ন করেছে। এই ঘটনাই জামায়াত-শিবিরের বর্বরতার উদাহরণ। যারা ভিন্নমতের মানুষের জানাজা ও দাফনে বাধা দিচ্ছে, তারা ক্ষমতায় গেলে আরও বর্বর হয়ে উঠবে। তাই, জামায়াত-শিবিরের থাবা থেকে দেশকে রক্ষা করার নৈতিক দায়িত্ব সবার।
রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, জামায়াতের প্রক্সি সংগঠন এনসিপির ৮০ শতাংশ নেতাকর্মী জামায়াত-শিবিরের সাবেক নেতাকর্মী। ফলে, নতুন এই প্রক্সি দলের অধিকাংশ নেতাকর্মীরা জামায়াত-শিবিরের মতো বর্বর। এই দলের সৃষ্টি জামায়াত-শিবিরের বিপদে পড়লে তাদের রক্ষা করার জন্য। তারা প্রতিনিয়ত সেটিই করে যাচ্ছে।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, বিশেষ করে আগামীতে জামায়াতের আসন ছাড় পাওয়ার জন্য এনসিপি নেতাদের মধ্যে জামায়াতি বর্বরতাকে তোষামোদি করার প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
নতুন বন্দোবস্তের নামে এনসিপি জামায়াতি বর্বরতাকে বৈধতা দেওয়ার রাজনীতি করছে। তিনি প্রশ্ন করেন, "এটাই কি তরুণদের কাছ থেকে প্রত্যাশা করা হয়েছিল?" তিনি আরও বলেন, ছাগল চোর, ল্যাপটপ চোর, নারী ও আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জর্জরিতদের থেকে এর বেশি কিছু কিভাবে প্রত্যাশা করা যায়!
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন