প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের প্রক্রিয়ায় বিদেশি কোম্পানির পাশাপাশি দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরাসরি যুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী। সম্প্রতি তিনি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে এই পরামর্শ তুলে ধরেন।
আজম জে চৌধুরী মন্তব্য করেন, "সুযোগ দিলে দেশের বেসরকারি খাত নিজেই প্রবৃদ্ধি করবে। আজকে বাংলাদেশের অর্থনীতি যা হয়েছে, সবই বেসরকারি খাতের অবদান।" তিনি যুক্ত করেন, "তাহলে বাংলাদেশে গ্যাস-তেল অনুসন্ধান তারা (বেসরকারি প্রতিষ্ঠান) পারবে না কেন। আমি বিশ্বাস করি সুযোগ দিলে আমরা পারব।"
তিনি আরও বলেন, "যারা তেল কোম্পানি তারা নিজেরা অনুসন্ধান করে না। অনুসন্ধানের জন্য ড্রিলিংটা করে একটা ভেন্ডর। আপনি একটা ভেন্ডর নিয়োগ করবেন সে ড্রিলিং করবে।"
ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের উচিত হবে ডিপিএম মেথডে প্রধান তেল কোম্পানি এক্সন মবিল, শেল এবং বিপিকে আমন্ত্রণ জানিয়ে আলোচনা করে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করা। তিনি বলেন, "এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের উচিত হবে বেসরকারি দুইটা কোম্পানিকে তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে দেওয়া। তারা (বেসরকারি কোম্পানি) যদি ১০ শতাংশ থাকে ওদের সঙ্গে তাহলে এদের (বেসরকারি কোম্পানি) সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।"
তিনি আরও বলেন, "তারা (বেসরকারি কোম্পানি) জানবে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কিভাবে হয়। আমি জানি সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়াররা প্রধান তেল কোম্পানিতে কাজ করছে।"
আজম জে চৌধুরী বলেন, "আমরা অনুসন্ধানের কাজ করতে পারব না এরকম কথা না। কথা হচ্ছে আমাদের ক্যাপিটাল এত স্ট্রং না।" তিনি একটি শর্তের কথা উল্লেখ করে বলেন, "প্রধান তেল কোম্পানির সঙ্গে একটা শর্ত করে দেওয়া যায় যে তাদের চুক্তির সঙ্গে ১০ থেকে ২০ শতাংশ বাংলাদেশের বেসরকারি কোম্পানি থাকবে। তাহলে ওই কোম্পানিগুলো দক্ষতা অর্জন করে ফেলবে।" তিনি ভারতীয় কোম্পানির উদাহরণ দিয়ে বলেন, "ভারত আগে থেকে শিখে আসে নাই। ভারতের কোম্পানিগুলোও নিজেরা অনুসন্ধান করছে। আমরাও সেটা করতে পারি বলে আমার বিশ্বাস।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন