প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বর্তমানে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে পোশাকশ্রমিকদের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠছে। এ কারণে পোশাকশ্রমিকদের দাবির প্রতি সরকার সহানুভূতিশীল হয়ে ইতোমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করেছে, এমনটাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি উল্লেখ করেন, এর ফলে সমস্যার সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চলমান আন্দোলনে কিছু ব্যক্তির মধ্যে যে ধরনের সহিংস আচরণ দেখা গেছে, সেটি পোশাকশ্রমিকদের আচরণ হিসেবে গণ্য করা যায় না।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ কিছু করতে পারবে বলে মনে হয় না। তবে তাদের কাছে প্রচুর লুটের টাকা রয়েছে, যা কোথাও কোথাও নাশকতার জন্য ব্যবহার হতে পারে। ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার ফেরার পথ তৈরি হবে, এমনটি মনে হয় না।
তিনি যোগ করেন, ডিসেম্বরের পরেও কোনো না কোনো সময় অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা হতে পারে। ১৯৯১ সালে হেরে যাওয়ার পর শেখ হাসিনা বলেছিলেন, সরকারকে একদিনও শান্তিতে থাকতে দেবেন না। এখনও তিনি শান্তিতে থাকতে না দেওয়ার চেষ্টা করবেন। যতদিন তিনি বেঁচে থাকবেন, ততদিন এ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে এবং সেটাকে প্রতিহত করা হবে।
স্বৈরাচারী সরকার ও গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যেকোনো আন্দোলনে বিরোধীপক্ষকে দায়ী করার যে প্রবণতা, তা বর্তমান সরকারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। সরকার যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ নিয়ে বিরোধীপক্ষকে দায়ী করছে।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার যেভাবে আন্দোলন মোকাবেলা করতো, তার তুলনায় বর্তমানে অনেক ভালোভাবে মোকাবেলা করা হচ্ছে। তবে কিছু স্থানে ভুলভ্রান্তি হতে পারে। কোথায় গুলি করলে সবচেয়ে কম ক্যাজুয়ালটিতে নিবৃত্ত করা যাবে, সে বিষয়গুলো সরকারের অধীনে পুলিশ করবে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আইনে উল্লেখ আছে, পুলিশ কোন পরিস্থিতিতে হত্যার জন্য গুলি করতে পারবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী পুলিশ লিথ্যাল উইপন ব্যবহার করতে পারে, কিন্তু সেটি আইনি প্রক্রিয়ায়, আইনি নিয়মে অবধারিত ছিল কিনা, সে প্রেক্ষাপটে দেখতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন