প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীতে একাধিক ঘটনায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছেন তিন ব্যক্তি। রবিবার দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে এই ভয়াবহ ঘটনাগুলি ঘটেছিল।
ভুক্তভোগীরা হচ্ছেন, একটি ওষুধ কোম্পানির কর্মী রাহাদ (৪০), হকার মঈনুদ্দীন (৬০) এবং উত্তম কুমার সরকার (৪৫)।
অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তারা হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সূত্র জানায়, বিকেলের সময় বাংলামোটর এলাকা থেকে বিআরটিসি বাসের ভেতর অচেতন হয়ে পড়ে ছিলেন উত্তম কুমার সরকার। বাসযাত্রী ডা. জোবায়ের জানান, হকারের কাছ থেকে চকলেট খাওয়ার পর উত্তম কুমার অচেতন হয়ে পড়েন এবং এই সুযোগে তার টাকা-পয়সা ও মোবাইল ফোন চুরি করা হয়।
উত্তম কুমার উত্তর শাহজাহানপুর শান্তিনগর এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম জিতেন্দ্র নাথ সরকার।
এর আগে, সিদ্ধিরগঞ্জের সাদ্দাম মার্কেট এলাকা থেকে রাহাদকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানিতে ডেলিভারিম্যান হিসেবে কাজ করেন। দুপুরে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকার খবর পেয়ে সহকর্মী এনামুল হক তাকে উদ্ধার করে দুপুর আড়াইটার দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
এসময় এনামুল ওই এলাকার আলাউদ্দিনের ছেলে রাহাদের সম্পর্কে বলেন যে, তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও টাকা কিছুই পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে দুপুর ১২টার দিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় মঈনুদ্দীন (৬০) নামের একজন ব্যক্তিকে। তার স্ত্রী মানসুরা বেগম জানান, মঈনুদ্দীন গুলিস্তান এলাকার ফুটপাতে হকারি করেন এবং বাসা মাতুয়াইল নুরবাগ এলাকায়।
মানসুরা বলেন, তিনি সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে গুলিস্তান যাচ্ছিলেন। বাসে যাওয়ার সময় তিনি অচেতন হয়ে পড়েন এবং পরে লোকজন তাকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট এলাকায় নামিয়ে দেয়। খবর পেয়ে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। তার কাছেও কিছুই পাওয়া যায়নি। সবকিছুই খোয়া গেছে
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন