প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বন্দর নগরী চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে চিকিৎসার কথা বলে স্ত্রী শাহনাজ বেগমকে (২২) হত্যা করার অভিযোগে স্বামী মো. নেজাম উদ্দিনকে (২৯) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আজ একটি জেলার আদালত।
মঙ্গলবার, চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নেজাম উদ্দিন চট্টগ্রামের পটিয়া থানার পূর্ব জিরি এলাকার নুরুল হক মেম্বারের বাড়ির মৃত কবির আহমেদের ছেলে।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস. এম. কাওসার সাগর বাসস’কে জানান, মামলায় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় নেজাম উদ্দিনকে দোষী সাব্যস্ত করেন। রায়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে মো. নেজাম উদ্দিনের সঙ্গে শাহনাজ বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর শাহনাজ অসুস্থ হয়ে পড়লে উন্নত চিকিৎসার কথা বলে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্বামী নেজাম উদ্দীন তাকে পটিয়া থেকে চট্টগ্রামের শহরে নিয়ে আসেন। তবে হাসপাতালে যাওয়ার পরিবর্তে তারা বহদ্দারহাটের স্বজন সুপার মার্কেট সংলগ্ন হোটেল আল-রেজার ৩১৯ নম্বর কক্ষে ওঠেন। পরে ওই কক্ষ থেকেই শাহনাজ বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. আজগর আলী অভিযোগ করেন, তার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। পরে তিনি চান্দগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ মো. নেজাম উদ্দিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন