প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বের ২৫টি বড় শহরের ধনী পরিবারগুলোর ব্যবহৃত ২০টি বিলাসবহুল পণ্য ও সেবার খরচ বিশ্লেষণ করে প্রতি বছর শীর্ষ ব্যয়বহুল শহরের তালিকা করা হয়। এবারের তালিকায় সিঙ্গাপুর টানা চতুর্থবারের মতো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। সুইজারল্যান্ডের জুরিখ এসেছে দ্বিতীয় স্থানে এবং মোনাকো প্রথমবারের মতো শীর্ষ তিনে জায়গা করে নিয়েছে। লন্ডন পঞ্চম স্থানে নেমে গেছে। পাশাপাশি, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ছয় ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে উঠেছে। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো, শীর্ষ ১০ ব্যয়বহুল শহরের তালিকা থেকে বাদ পড়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সর্ববৃহৎ ও সবচেয়ে জনবহুল শহর দুবাই। বর্তমানে শহরটির অবস্থান দাঁড়িয়ে আছে ১৪ নম্বরে, যা আগের বছরের তুলনায় সাত ধাপ নিচে।
এ সম্পর্কে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বেসরকারি ব্যাংক জুলিয়াস বেয়ারের গ্লোবাল ওয়েলথ অ্যান্ড লাইফস্টাইল রিপোর্ট ২০২৬ অনুযায়ী বলা হয়েছে, দুবাইয়ের র্যাংকিং কমেনি স্থানীয় বাজারে পণ্যের দাম কমায়, বরঞ্চ এর পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার। উল্লেখযোগ্য যে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মুদ্রা দিরহাম সরাসরি ডলারের সঙ্গে যুক্ত (পেগড)। বিশ্ববাজারে ডলারের বিপরীতে যানি এ কারণে এখনও ইউরো বা সুইস ফ্রাঁর মতো বড় মুদ্রাগুলোর বিনিময়ের হার শক্তিশালী হয়েছে, ফলে সেসব অঞ্চলের শহরগুলো তালিকায় ওপরের দিকে উঠে এসেছে এবং এ কারণে দুবাই নিচে নেমেছে।
একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী বিলাসবহুল জীবনযাত্রার ব্যয় ডলারের হিসাবে ১০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে গহনার দাম ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে এবং ঘড়ির দাম ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। কাঁচামালের ঊর্ধ্বমুখী দাম এবং দক্ষ শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির ফলে ইউরোপের শহরগুলোর সামগ্রিকভাবে খরচ বেড়েছে ১৪ দশমিক ১ শতাংশ।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই র্যাংকিংয়ের ফলে দুবাইয়ের সার্বিক আকর্ষণে কোনো ভাটা পড়েনি। যারা স্থানীয় মুদ্রা দিরহামে খরচ করেন, তাদের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয় আগের মতোই রয়েছে। বিশ্বজুড়ে ধনীদের কাছে দুবাই এখনো একটি অন্যতম জনপ্রিয় শহর। বহিরাগত ধনীদের আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে দুবাইয়ের প্রধান সুবিধা হলো আবাসন খাতের তুলনামূলক কম দাম। লন্ডনের তুলনায় দুবাইয়ে বিলাসবহুল বাড়ি কিনতে খরচ হয় অর্ধেকেরও কম। একাধিক সুবিধা রয়েছে, যেমন অনুকূল কর ব্যবস্থা, উন্নত জীবনযাত্রা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের দারুণ সুযোগ, যা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধনীদের আগমন ও বিনিয়োগ দুবাইয়ে অব্যাহত রেখেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন