প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মন্তব্য করেছেন যে, ‘সংখ্যালঘু’ শব্দ ব্যবহার করে নিজেদের খাটো করা হবে না।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে লক্ষ্মীপুরের শ্যাম সুন্দর জিউর আখড়ায় জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। পরে তিনি ফিতা কেটে জন্মাষ্টমীর বর্ণাঢ্য র্যালির উদ্বোধন করেন। র্যালিটি জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।এ্যানি বলেন, ‘পাহাড়ে যারা থাকেন তারা পাহাড়ি বা আদিবাসী। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান এবং আমরা যারা মুসলমান ধর্মের আছি মুসলমান, আমরা সবাই বাংলাদেশি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশ প্রথম।’ এখানে সংখ্যালঘু বলতে কোনো ধারা, কোনো কথা, কোনো শব্দ আমরা ব্যবহার করে নিজেদের খাটো করব না, তাতে জাতি খাটো হবে। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য এই আহ্বানটুকু খুব বেশি প্রয়োজন।’তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার জীবদ্দশায় বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদের নতুন রাজনীতি সৃষ্টি করেছেন। বাংলাদেশ সৃষ্টির পর তিনি দায়িত্বে থাকাকালে সবাইকে নিয়ে একটি সুন্দর রাজনীতি উপহার দিয়েছেন। এখন পর্যন্ত তার রাজনৈতিক আদর্শের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদের রাজনীতির মাধ্যমে আমরা দেশ পরিচালনা করছি এবং ঐক্যবদ্ধ হয়েছি।’পানিসম্পদ মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘মাত্র কয়েক দিন হলো আমরা নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। ছয় মাস। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন, ১৭ ফেব্রুয়ারি আমরা শপথ নিয়েছি। তাই সমাজে সবকিছু ছয় মাসের মধ্যে উন্নত জীবনযাপন, সকল অত্যাচার-নির্যাতন বন্ধ, ন্যায় প্রতিষ্ঠা—সবকিছু এখনই করে ফেলেছি, এমন কথা বলার সুযোগ নেই।’তিনি আরো বলেন, ‘তবে আমাদের উদ্যোগ মহৎ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ আমরা সবাই মিলেমিশে সমাজকে উন্নত জীবনের জন্য, সর্বদা ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য এবং একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনের জন্য শ্রম দিচ্ছি, কষ্ট করছি এবং কাজ করে যাচ্ছি।’শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর তাৎপর্য তুলে ধরে এ্যানি চৌধুরী বলেন, ‘কংসের কারাগার ছিল অত্যাচারী কারাগার। সেই কারাগারের মধ্যেই শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়। সমাজের অত্যাচার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জাগিয়ে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা, ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং মানবতার কল্যাণকে সামনে রেখেই এই দিনটি পালিত হয়। এই দিনটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য।’জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন চন্দ্র নাথের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবু তারেক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মেজবা উল আলম ভূঁইয়া, বাফুফের সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শৈবাল কান্তি সাহা, সাধারণ সম্পাদক মিলন মন্ডল, জেলা আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সভাপতি কৃষ্ণ দুলাল দাস, জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মাখন লাল সাহা ও সদস্যসচিব উত্তম দেবনাথসহ অনেকে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন