প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ প্রস্তাবিত ঋণ কর্মসূচির অধিকাংশ শর্তে একমত হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সোমবার (১২ অক্টোবর) থাইল্যান্ডে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান।
বর্তমানে ব্যাংককের কুইন সিরিকিত ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে বিশ্ব অর্থনীতির নীতি-নির্ধারণী আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান এ সম্মেলনে ১৯১ দেশের ১৫ হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, অর্থমন্ত্রী এবং উন্নয়ন সহযোগীরা অংশ নিচ্ছেন।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, পুরোনো ঋণচুক্তি বাতিলের পর গত মে মাস থেকে আইএমএফের সঙ্গে নতুন কর্মসূচি নিয়ে দর-কষাকষি চলছে। এ আলোচনার ভিত্তিতে ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে পুরোনো ঋণচুক্তি বাতিলের পর নতুন কর্মসূচির শর্ত নিয়ে আইএমএফ কিছুটা রক্ষণশীল অবস্থানে রয়েছে। সংস্থাটি ব্যাংক ও রাজস্ব খাতের সংস্কার, বিভিন্ন খাতে সরকারি ভর্তুকি কমানো, সরকারি পরিসংখ্যানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করছে।
এবারের সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, গ্রিন ফাইন্যান্সের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অর্থনৈতিক প্রভাব ও ঝুঁকি মোকাবিলার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে নতুন ঋণচুক্তির আলোচনা কতটা এগোয় এবং সংকট মোকাবিলায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে বাংলাদেশ কী ধরনের আশ্বাস পায়, তা নিয়ে অর্থনীতি বিশ্লেষকদের নজর এখন ব্যাংককের সম্মেলনের দিকে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন