প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে কর্মসংস্থান এবং দক্ষতা উন্নয়ন সহযোগিতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর, দুই দেশের মধ্যে ‘ইএসডিপি-এমওসি’ (মেমোরেন্ডাম অব কো-অপারেশন অন এমপ্লয়মেন্ট স্কিলস ডেভেলপমেন্ট) চুক্তিটি চূড়ান্ত করা হয়। এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ আগামী ১ এপ্রিল ২০২৭ থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলামের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, বাংলাদেশের পক্ষে মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল পুলিশ এজেন্সির প্রতিনিধিরা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরে চুক্তির অনুলিপি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে।
চুক্তির প্রাথমিক মেয়াদ পাঁচ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। মেয়াদ শেষ হলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও পাঁচ বছরের জন্য বাড়ানোর বিধান রয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য জাপানের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং দক্ষতা উন্নয়নের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মন্তব্য করেন, এই চুক্তির মাধ্যমে কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে এবং কর্মী পাঠানো ও গ্রহণের ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরও জানান, জাপানে কাজের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, উচ্চ বেতন এবং দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
চুক্তিতে জাপানি স্থানীয় শ্রমিকদের সমতুল্য আইনি সুরক্ষা এবং কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান সুযোগের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের কারণে নারী কর্মীদের চাকরিচ্যুত করা কিংবা বৈষম্যের শিকার হওয়ার সুযোগ থাকবে না বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
সংশ্লিষ্টদের আশাবাদ, এই নতুন চুক্তি বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন