প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পরিবহন পুলের ভাড়া করা বাসের দুর্ঘটনায় আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীর বাবার মৃত্যু ঘটেছে। এর পর ক্ষতিপূরণসহ ৬ দফা দাবিতে বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানববন্ধন কর্মসূচির ব্যানারে শিক্ষার্থীরা মিছিল করে স্মারকলিপি জমা দেন। এর আগে, মীর মোশাররফ হোসেন ভবন থেকে স্লোগান দিয়ে প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নিলে, প্রক্টরিয়াল বডি তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনের কাছে তাদের নিয়ে যায়।
শিক্ষার্থীদের হাতে ‘নিরাপদ সড়ক চাই, ভাড়ায় চালিত গাড়ি বন্ধ চাই, সেফ রোড সেফ জার্নি, ফিটনেস বিহীন গাড়ি বন্ধ করতে হবে, উপযুক্ত শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ লেখা প্লেকার্ড দেখা যায়।
শিক্ষার্থীদের ৬ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— অভিযুক্ত চালক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা, নিহতের পরিবারকে কমপক্ষে ৬০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর যাবতীয় দায়িত্ব প্রশাসনের গ্রহণ করা।
এছাড়া নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাস সংলগ্ন মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে ট্র্যাফিক ব্যবস্থা জোরদার ও স্পিড ব্রেকার স্থাপন, বাসের ফিটনেস ও চালকদের লাইসেন্স যাচাইয়ে স্থায়ী কমিটি গঠন, নিজস্ব বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি, চালকদের ডোপ টেস্ট করানো এবং ভাড়ায় চালিত বাসের গতিসীমা লঙ্ঘন বা উল্টোপথে গাড়ি চালানোর অভিযোগ প্রমাণিত হলে চুক্তি বাতিলসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, শনিবার আনুমানিক দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের ভাড়া করা বাসের মাধ্যমে ১১ মাইল এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীর বাবা নিহত হন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন