প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসরায়েল ও মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করার বিষয়ে একমত হয়েছেন। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে দুই দেশে দূতাবাস প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বুধবার, ইসরায়েল সরকারের আরবি ভাষার সরকারি অ্যাকাউন্ট থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
আরো পড়ুন
সুইডেনের নির্বাচনে বামপন্থীদের জয়
রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ গ্রহণকারী চারটি আরব দেশের মধ্যে মরক্কো ছিল একটি। অন্যান্য তিনটি দেশ হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও সুদান। মিসর এবং জর্দানের সঙ্গে ইসরায়েলের আলাদা শান্তিচুক্তি বিদ্যমান। এই চুক্তিগুলোর পর ফিলিস্তিনিদের মধ্যে দীর্ঘদিনের একটি আরব অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। ওই অবস্থানে উল্লেখ করা হয়েছিল, ইসরায়েলকে দখলকৃত ভূখণ্ড থেকে সরে যেতে হবে এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে হবে। এর বিনিময়ে আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছিল।
আরো পড়ুন
পাকিস্তান ও ভারতীয় নৌযানের সংঘর্ষ, পাক রাষ্ট্রদূতকে তলব করল নয়াদিল্লি
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, নিউইয়র্কে তিন পক্ষের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সার, মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বুরিতা এবং জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ। বিবৃতিতে জানানো হয়, ইসরায়েল ও মরক্কোর সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য কর্মকর্তারা একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে দুই দেশের কূটনৈতিক মিশনের মর্যাদা দূতাবাস পর্যায়ে উন্নীত করা এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা।
এছাড়া, ইসরায়েল ও মরক্কোর মধ্যে বিমান চলাচল বৃদ্ধি করার বিষয়েও তারা একমত হয়েছেন। পারস্পরিক বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে সহজতর করার জন্য প্রয়োজনীয় চুক্তিগুলো চূড়ান্ত করার কাজও তারা করবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন