প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে স্বাস্থ্যখাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে চায়, যা চীনের সুদৃঢ় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মাধ্যমে সম্ভব।
আজ তিনি চীনের হাইনান প্রদেশের বোআও ল্যেছেং আন্তর্জাতিক মেডিকেল ট্যুরিজম পাইলট জোনে হাইনান প্রদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এই তথ্য তুলে ধরেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হাইনান প্রাদেশিক কমিউনিস্ট পার্টির কমিটির সম্পাদক ফেং ফেই এবং ভাইস গভর্নর শিয়ে জিং।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকার দেশের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। ২০টি বড় হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে বিভিন্ন অঞ্চলে। এই হাসপাতালগুলোর প্রতিষ্ঠায় চীনের কারিগরি সহায়তা ও প্রশিক্ষণ প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বৈঠকে বাংলাদেশি মেডিকেল শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি, চিকিৎসক বিনিময় ও প্রশিক্ষণ, উষ্ণমণ্ডলীয় রোগ প্রতিরোধ এবং ট্র্যাডিশনাল চাইনিজ মেডিসিনে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
এছাড়া স্তন ক্যানসারের মতো অসংক্রামক রোগ এবং হাম, ডেঙ্গু ও থ্যালাসেমিয়ার মতো সংক্রামক রোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশের বিভিন্ন উদ্যোগ ও চ্যালেঞ্জগুলোও বৈঠকে উঠে আসে।
মন্ত্রী চীনা বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, হাইনানভিত্তিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে গ্লাভস, মাস্ক ও ব্লাড ব্যাগসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীর উৎপাদনের জন্য কারখানা স্থাপন করতে পারে। এতে দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত পণ্য রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হবে।
হাইনানের কর্মকর্তারা বাংলাদেশি চিকিৎসকদের সফর, চিকিৎসা শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। উভয় পক্ষ স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
বৈঠকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব ফাতিমা-তুজ-জোহরা ঠাকুর, চীনে বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর মো. জিয়াউর রহমান এবং মালিশা গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক মারুফ মোল্লা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন