প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কঙ্গনার মতে, নারী বা পরিবারের যত্ন নেওয়া এক ধরনের আলাদা করে শেখার বিষয় নয়। তাঁর মতে, নারীদের মধ্যে লালনপালন করার ক্ষমতা সহজাত। সেই কারণেই নারীর দেবী, শক্তি, অন্নপূর্ণার মতো নানা নামে ডাকা হয়।
একজন নারীর আইএএস অথবা শিক্ষিকার মতো পেশাদার হয়ে ওঠার আগে 'দক্ষ' মা হওয়া উচিত। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন পটেলের এই মন্তব্য নিয়ে সমাজমাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কিছু মানুষ এই মন্তব্য সমর্থন করেছেন, তবে এটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে।
এবার এই মন্তব্য সমর্থন করে কঙ্গনা রনৌত। আনন্দীবেনের মন্তব্য সমর্থন করে রবিবার তিনি এক্স হ্যান্ডলে নিজের ছোটবেলার স্মৃতি তুলে ধরেন। লেখেন, ছোটবেলায় তাঁর ভাই ফুটবল ও ক্রিকেট খেলতেন, এবং তিনি পুতুলের জন্য ছোট ছোট ঘর বানাতেন। তাদের জামাকাপড় সেলাই করতেন এবং রান্না করে খাওয়ানোর ভান করতেন। ছোট ছোট মাটির উনুন বানাতেন। নিজেকে পুতুলের মা বলে ভাবতেন। কঙ্গনার মতে, সন্তান বা পরিবারের যত্ন নেওয়া নারীদের কাছে আলাদা করে শেখার বিষয় নয়। নারীদের মধ্যে লালনপালন করার ক্ষমতা সহজাত। এই কারণে নারীকে দেবী, শক্তি, অন্নপূর্ণার মতো নানা নামে ডাকা হয়। তবে শুধু দায়িত্ব পালনের জন্য নয়, ভালবাসা, নিজের হাতে খাওয়ানোর মধ্যে নারী সত্যিই আনন্দ খুঁজে পায়। কঙ্গনা মনে করেন, “এটা এমন কিছু নয় যা আমাদের শিখতে হয়। মানুষের যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব ঈশ্বরই আমাদের দিয়েছেন। এটাই আমাদের প্রকৃত স্বভাব।”
অভিনেত্রী আরো বলেন, ইতিহাস জুড়ে নারীদের শক্তি, যত্ন এবং স্নেহের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়েছে। তিনি বলেন, “তাই নারীদের দেবী, শক্তি, অন্নপূর্ণা, মাতা, এমন অনেক নামে ডাকা হয়।”
কঙ্গনার এই মন্তব্য নিয়েও নানা রকম মতামত জানিয়েছেন নেটাগরিকরা। অনেকে জানিয়েছেন, কঙ্গনা নিজেও তো স্বেচ্ছায় বিয়ে করেননি এবং মা হননি। বরং পেশার জগতে তিনি তাঁর পাকাপাকি জায়গা তৈরি করেছেন। তাই কিভাবে তিনি আনন্দীবেনের মন্তব্য সমর্থন করছেন? কঙ্গনার অংশগ্রহণকারী ভক্তেরা তাঁর মন্তব্যও সমর্থন করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন