প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের গুয়াহাটিতে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবারের এই ঘটনায়, তার সঙ্গে থাকা এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতার হওয়া যুবক দাবি করেছেন যে, ওই ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। তবে পুলিশ তার বক্তব্যের ওপর সন্দেহ প্রকাশ করে জানায়, ঘটনাটি আত্মহত্যা কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গুয়াহাটি পুলিশ কমিশনার দেওরি বলেন, তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং পুলিশ সম্ভাব্য হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, মৃতদেহের আশপাশে বা মেঝেতে কোনো রক্ত পাওয়া যায়নি।
এদিকে, এ ঘটনায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে এসেছে। নিহতের পরিবারের এক বন্ধুর দাবি, ওই তরুণী তার মাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন যে, তিনি এক বন্ধুর বাড়িতে রাত কাটাবেন। কিন্তু গভীর রাতে হঠাৎ করে মাকে ফোন করে বলেন, "ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।" এরপর সম্ভবত ফোনটি কেড়ে নেওয়া হয়। তবে তার এই বক্তব্যকে এখনও খতিয়ে দেখা বাকি রয়েছে।
অন্যদিকে, হোমস্টের তত্ত্বাবধায়কের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি জানান, রাতে এক ব্যক্তির চিৎকার শুনেছিলেন। ওই ব্যক্তি কাউকে উঠতে বলছিলেন। তিনি আরও বলেন, তিনি একটি পুরুষ কণ্ঠে "দাদা ওঠো, ওঠো" বলে চিৎকার শুনতে পান।
নিহত তরুণী হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিলেন এবং যুবকটি মুসলিম। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকটি সংগঠন বিক্ষোভ করেছে। বিক্ষোভকারীরা ঘটনাটিকে কথিত ‘লাভ জিহাদ’ বলে অভিযোগ করেন।
‘লাভ জিহাদ’ মূলত হিন্দুত্ববাদী কিছু গোষ্ঠীর প্রচারিত একটি ষড়যন্ত্র, যেখানে দাবি করা হয়, মুসলিম পুরুষরা ধর্মান্তরিত করার উদ্দেশে হিন্দু নারীদের প্রেমের সম্পর্কে জড়ান।
বিক্ষোভকারীরা এক পর্যায়ে সড়ক অবরোধ করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের সরে যাওয়ার অনুরোধ করেন। পরে অবরোধ সরিয়ে নেওয়া হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন